১৩ আগস্ট ২০২৬, ২১:১৪

ঢাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচি থেকে জাবির বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতা আটক, মারধর

নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা রাইয়্যান ইসলাম রাতুল  © টিডিসি ফটো

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় উপাচার্যের বাসভবনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় দুই বছরের জন্য বহিষ্কৃত নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতাকে মারধর করে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করার দাবি করেছে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা। তবে এ বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়ার কথা অস্বীকার করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ।

‎বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় ইনকিলাব মঞ্চের একটি কর্মসূচি থেকে রাইয়্যান ইসলাম রাতুলকে আটক করা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শী ও কর্মসূচিতে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন।

জানা গেছে‎, রাইয়্যান ইসলাম রাতুল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের (২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী। তিনি তৎকালীন শেখ রাসেল হল (বর্তমানে নবাব সলিমুল্লাহ হল) শাখা ছাত্রলীগের উপ-প্রচারবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।

‎প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাইয়্যান নিজের পরিচয় গোপন করে সাংবাদিক পরিচয়ে কর্মসূচিতে অংশ নেন। সেখানে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করার এক পর্যায়ে উপস্থিতদের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। পরে তিনি নিজেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দিলে উপস্থিতরা তার পরিচয় যাচাই করেন। এ সময় তার ছাত্রলীগের পদ এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি সামনে আসে।

‎বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় উপাচার্যের বাসভবনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রাইয়্যান ইসলাম রাতুলকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়। ২০২৫ সালের ১৪ আগস্ট ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এ বি এম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ থেকে তার বহিষ্কারাদেশ কার্যকর হবে।

‎প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর উপস্থিত ছাত্র-জনতা তাকে আটক করে শাহবাগ থানায় নিয়ে গিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

‎তবে এ বিষয়ে শাহবাগ থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘এ রকম কোনো আসামিকে থানায় সোপর্দ করা হয়নি। আমরা এ বিষয়ে কোনো তথ্য পাইনি।’