জেলায় প্রথম এবং বোর্ডে চতুর্থ চাঁদপুরের আল-আমিন একাডেমি
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর চালু হওয়া জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার (অষ্টম শ্রেণি) ফলাফল ঘোষণা হয়েছে। এতে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে চাঁদপুর জেলার আল-আমিন একাডেমি স্কুল এন্ড কলেজ। এ প্রতিষ্ঠানের ৩৩ জন শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুলে এবং ৬৫ জন শিক্ষার্থী সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছেন। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি কুমিল্লা বোর্ডে চতুর্থ এবং জেলায় প্রথমস্থান অর্জন করেছে।
জেলায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে হাজীগঞ্জ উপজেলার হাজীগঞ্জ মডেল সরকারি পাইলট হাই স্কুল এন্ড কলেজ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ট্যালেন্টপুলে ২৮ এবং সাধারণ গ্রেডে ৪৬ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছেন।
আল-আমিন একাডেমির সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. ফারুকুল ইসলাম জানান, একাডেমি থেকে ২২৫ জন শিক্ষার্থী জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ৩৩ জন ট্যালেন্টপুল এবং ৬৫ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি লাভ করে। তিনি আরো জানান, জেলায় একাডেমি প্রথম স্থান এবং কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে।
এছাড়া জেলা সদরের মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ২০ জন এবং হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৬ জন ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে।
এদিকে জেলা শিক্ষা অফিস থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, চাঁদপুর সদর উপজেলায় বৃত্তি পেয়েছে ২৬৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৮৪ এবং সাধারণ গ্রেডে ১৮১জন। ফরিদগঞ্জ উপজেলায় বৃত্তি পেয়েছে ৫৩ জন। এর মধ্যে ১৭ জন ট্যালেন্টপুলে এবং সাধারণ গ্রেডে ৩৬ জন।
হাইমচর উপজেলায় বৃত্তি পেয়েছে ৩২ জন। এর মধ্যে ১০ জন ট্যালেন্টপুলে এবং সাধারণ গ্রেডে ২২ জন। হাজীগঞ্জ উপজেলায় বৃত্তি পেয়েছে ১৬৩ জন। এর মধ্যে ৫২ জন ট্যালেন্টপুলে এবং সাধারণ গ্রেডে ১১১ জন। কচুয়া উপজেলায় বৃত্তি পেয়েছে ১০১ জন। এর মধ্যে ৩২ জন ট্যালেন্টপুলে এবং সাধারণ গ্রেডে ৬৯ জন। মতলব দক্ষিণ উপজেলায় বৃত্তি পেয়েছে ৫৯ জন। এর মধ্যে ১৯ জন ট্যালেন্টপুলে এবং সাধারণ গ্রেডে ৪০ জন।
মতলব উত্তর উপজেলায় বৃত্তি পেয়েছে ৬৩ জন। এর মধ্যে ২০ জন ট্যালেন্টপুলে এবং সাধারণ গ্রেডে ৪৩ জন। শাহরাস্তি উপজেলায় বৃত্তি পেয়েছে ৫১ জন। এর মধ্যে ১৬ জন ট্যালেন্টপুলে এবং সাধারণ গ্রেডে ৩৫ জন।