২২ মার্চ ২০২৬, ১৯:২৫

সামাজিক উন্নয়নের অঙ্গিকার নিয়ে নতুন সংগঠন ‘TEAM’-এর যাত্রা

রোকুনুজ্জামান সেলিম ও মশিউর রহমান   © সংগৃহীত

ভারতের মেঘালয় ঘেষা জেলা শেরপুরের সীমান্তবর্তী এলাকায় গঠিত হলো তরুণদের সংগঠন ‘TEAM’। প্রাথমিকভাবে ৩৫ সদস্যের এই সংগঠনের পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংগঠনটির নেতৃত্বে রয়েছেন ক্রীড়া সাংবাদিক রোকুনুজ্জামান সেলিম।

শুক্রবার (২০ মার্চ) জেলার নালিতাবাড়ি উপজেলার ১নং পোড়াগাঁও ইউনিয়নের বাতকুচি গ্রামে সংগঠনের কমিটি গঠন করা হয়। সংগঠনটির অফিসও সেখান থেকে পরিচালিত হবে।
‘TEAM’ এর বিস্তারিত হলো- Together for Education, Athletics & Mission. অর্থাৎ, অলাভজনক এই সংগঠনটি একাডেমির বাইরে নানা বিষয়ে জ্ঞান অর্জনে শিক্ষা, খেলাধুলা এবং সামাজিক উন্নয়নে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। 
সংগঠনটির অফিসের একটি অংশকে লাইব্রেরি করা হয়েছে। যেখানে ধর্ম, বিজ্ঞান, উপন্যাস, রাজনৈতিক-সহ একাডেমির বাইরের বিভিন্ন বই দিয়ে সাজানো হয়েছে। সদস্য ছাড়াও যেকেউ সেখানে বসে বই পড়তে পারবে।

সংগঠনে তরুণ সদস্যদের পাাশাপাশি গণমান্য ব্যক্তিদেরকে উপদেষ্টা হিসেবে রাখা হয়েছে। যারা মূলত বিভিন্ন পরামর্শ-দিক নির্দেশনা ছাড়াও বই কিনে দেওয়া এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে অংশ নেবেন।
সকলের সম্মতিতে সংগঠনটি সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন স্পোর্টসমেইল২৪.কম-এর সম্পাদক ও প্রকাশক রোকুনুজ্জামান সেলিম। তিনি ঢাকায় ক্রীড়া সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত থাকলেও সংগঠনে (TEAM) নিয়মিত সময় দেবেন।

সংগঠনের বিষয়ে রোকুনুজ্জামান সেলিম বলেন, “তরুণ সমাজ এখন ডিভাইসে আসক্ত। আমরা মূলত তরুণদের মাঠ এবং বইমূখী করতে চাই। পাশাপাশি সমাজের নানা অঙ্গনে কাজ করবো।”

তিনি আরও বলেন, “প্রাথমিকভাবে আমরা নিজেদের চাঁদায় ফান্ড তৈরি করলেও সামনের দিনে বিভিন্নভাবে ডোনেশন সংগ্রহ করবো। বড় কাজ করতে চাইলে অবশ্য বড় ফান্ডের প্রয়োজন হবে। আশা করি সকলের সহযোগিতা পাবো।”
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান বলেন, “সংগঠনটির মূল উদ্দেশ্য সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। যুব সমাজকে অনলাইন জুয়া, মোবাইল আসক্তি, গেমিং-সহ ক্ষতিকর দিকগুলো থেকে ফিরিয়ে আনতে আমাদের চেষ্টা থাকবে।”

তিনি বলেন, “এছাড়া সংগঠনটির মাধ্যমে যুব সমাজের সৃজনশীলতা ও জ্ঞান বৃদ্ধিতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালনো হবে। এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে ‘TEAM’।”

সংগঠনের বিষয়ে প্রচার ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রুহুল আমিন বলেন, “বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির ব্যবহার যেমন আমাদের জীবনকে সহজ করেছে, তেমনি অতিরিক্ত নির্ভরতা  দিচ্ছে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে ‘TEAM’ একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে কাজ করবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য প্রযুক্তিকে ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করে তরুণদের শিক্ষা, ক্রীড়া ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ত করা। আমরা চাই, তরুণরা শুধু ভার্চুয়াল জগতে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তব জীবনে দক্ষতা, নেতৃত্ব এবং মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ হয়ে উঠুক।”