০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৫

ইবিতে যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ইবিতে র‌্যালি বের করা হয়  © টিডিসি

পতাকা উত্তোলন, র‍্যালি, শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন ও দোয়া মাহফিলসহ নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় প্রশাসন ভবন চত্বরে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান। 

পতাকা উত্তোলন শেষে প্রশাসন ভবন চত্বর থেকে প্রশাসনের নেতাদের উপস্থিতিতে একটি র‍্যালি বের করা হয়। এতে ডিনবৃন্দ, বিভাগীয় সভাপতিগণ, হলসমূহের প্রভোস্ট ও হাউস টিউটর, সব পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীরা এবং ইবি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও র‍্যালিতে যুক্ত হন। র‍্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীরউত্তম) কর্তৃক স্থাপিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর প্রাঙ্গণে শেষ হয়।

এ সময় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার স্থাপিত ভিত্তিপ্রস্তরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে প্রশাসনের নেতৃবৃন্দের সাথে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন ইবি উপাচার্য। এরপর পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন হল, বিভাগ, পরিষদ এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন সুশৃঙ্খলভাবে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে। শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি ও উন্নতি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আশরাফ উদ্দিন খান আজহারী। 

উদ্বোধনী পর্বে ইবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশ নতুন করে একটি ফ্যাসিস্ট মুক্ত হয়েছে এবং সেই ফ্যাসিস্ট মুক্তর মধ্য দিয়ে আপামর জনসাধারণ সে ফ্যাসিস্ট জনতা একত্র প্রকাশ করে বাংলাদেশকে নতুন করে আবার পুনর্নির্মাণের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। সেই দায়িত্বভার আমাদের মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ওপরে অর্পিত হয়। আজকের এই দিনে আমি মহান স্বাধীনতার ঘোষক বাংলাদেশের নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।’