বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হতে পারে ৯ বিভাগ নিয়ে, সম্ভাব্যতা যাচাই ইউজিসির
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্যে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঁচটি অনুষদের অধীনে ৯টি বিভাগ চালুর যৌক্তিকতা ও সম্ভাব্যতা যাচাই করেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) ১০ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত বিভাগগুলোর প্রয়োজনীয়তা, শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি এবং সংশ্লিষ্ট সুযোগ-সুবিধা পর্যালোচনায় সরেজমিনে পরিদর্শন করে কমিটি।
ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুনের নেতৃত্বে কমিটি প্রস্তাবিত বিভাগগুলো চালুর যৌক্তিকতা ও সম্ভাব্যতা যাচাই করে।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ডা. নিয়াজ আহমেদ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. এ. মাহবুব উদ্দিন চৌধুরী, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক ও ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. নেভিন ফরিদা, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. সামিউল আহসান তালুকদার, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবটিক্স অ্যান্ড মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শামীম আহমেদ দেওয়ান এবং ইউজিসির অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. মহিবুল আহসান।
আরও পড়ুন: সুস্থ হয়ে ফের বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব পালনের ঘোষণা চুয়েট ভিসির
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহা. হাছানাত আলী, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. তারিকুল ইসলাম, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. হারুনুর রশিদ এবং ইউজিসির সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোহাম্মাদ মামুনুর রশীদ খান।
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এ পরিদর্শন অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাঁচটি অনুষদের অধীনে ৯ বিভাগ চালুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে প্রস্তাবিত বিভাগগুলোর অনুমোদন এবং শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর চূড়ান্ত সময়সূচি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।