মেধাবীদের হয়রানি না করে নিয়োগ দিন: ইবি শিবির সেক্রেটারি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফি বলেছেন, ‘সরকারকে অনুরোধ জানাচ্ছি-মেধাবীদের হয়রানি না করে নিয়োগ দিন। পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বাদ না দিয়ে আওয়ামী গুন্ডা ও গুপ্ত যারা আছে তাদেরকে বাদ দিন এবং দেশের আইনশৃঙ্খলার অবস্থা উন্নত করুন। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি বন্ধ করুন।’
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম, দলীয়করণ এবং পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে যোগ্য প্রার্থীদের বাতিলের বিরুদ্ধে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল শেষে প্রধান ফটকের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা আপনার বিরুদ্ধে নই, আমরা আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী। তাই সরকারকে অনুরোধ জানাচ্ছি, মেধাবীদের হয়রানি না করে নিয়োগ দিন। পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বাদ না দিয়ে আওয়ামী গুন্ডা ও গুপ্ত যারা আছে তাদেরকে বাদ দিন এবং দেশের আইনশৃঙ্খলার অবস্থা উন্নত করুন। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি বন্ধ করুন।
তিনি আরও বলেন, এই সরকার ক্ষমতায় এসে শিক্ষক নিয়োগে পুলিশ ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে হয়রানির পথ বেছে নিয়েছে। এনটিআরসিএ বাদ দিয়ে তারা দলীয় লোক নিয়োগ দিয়ে আবারও ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চেয়েছিল। এর আগে ভাইভার নম্বর বাড়িয়ে দলীয়করণ করতে চেয়েছিল। এ দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা তা মেনে নিবে না। শিক্ষক নিয়োগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বাদ দেওয়া হয়েছে।
রাশেদুল ইসলাম রাফি বলেন, ২৪-এর অঙ্গীকার ছিল মেধাবীদের নিয়োগ দেওয়া। এ দেশের শিক্ষার্থীরা অতীতেও কখনো অবিচার ও বৈষম্য মেনে নেয়নি, সামনেও নেবে না। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করে মেধাবীদের নিয়োগ বাস্তবায়ন করুন। পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে যে দলীয়করণের পাঁয়তারা আপনারা করছেন, তা ছাত্র-জনতা কখনোই মেনে নেবে না।
প্রসঙ্গত, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর চূড়ান্ত ফলাফলে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। তবে ভেরিফিকেশন শেষে বিভিন্ন জেলার ১২ শতাধিক সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে। বাদ পড়া অনেক প্রার্থীর দাবি, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অপরাধের রেকর্ড নেই এবং নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণও তাদের জানানো হয়নি।