২৫ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৬

রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন হাব গঠনের উদ্যোগ ইবি প্রশাসনের

‘সেন্ট্রাল রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন হাব’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ রোডম্যাপ জানিয়েছেন উপাচার্য।  © টিডিসি ফটো

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শিক্ষার্থীদের গবেষণা, নতুন নতুন উদ্ভাবনী ভাবনা ও স্টার্টআপ কার্যক্রমকে উৎসাহিত করতে ‘সেন্ট্রাল রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন হাব’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে ইউজিসি আয়োজিত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের ২ দিনব্যাপী নীতিনির্ধারণী সংলাপের সার্বিক বিষয় নিয়ে আলাপকালে এই উদ্যোগের ব্যাপারে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। 

উপাচার্য জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় স্থান থেকে শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতা ও ‘ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি’ তৈরি নিশ্চিতে কাজ করবে এই সেন্টার। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত একটি প্রজেক্ট প্রপোজাল তৈরির কাজ চলছে, যা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে। এছাড়া সরকারের উদ্যোগ অনুযায়ী আগামী মাসের ১২ তারিখে ইন্ডাস্ট্রি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ অংশগ্রহণে একটি ‘কোলাবোরেশন প্রোগ্রাম’ অনুষ্ঠিত হবে, যার লক্ষ্য থাকবে শিক্ষার্থীদের সরাসরি কর্মমুখী ও ইন্টার্নশিপ সুবিধার আওতায় আনা।

তিনি বলেন, খুব শীঘ্রই এই মর্মে আমরা সরকারের কাছে একটা প্রস্তাব পাঠাব। এটির উদ্দেশ্য হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্র থেকে এই জিনিসটা শুরু করতে চাই। যাতে প্রত্যেকটি ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী এই জায়গা থেকে তাদের যে চিন্তা, চিন্তার সক্ষমতা, ইনোভেটিভ আইডিয়াস, স্টার্টআপ যেটিকে বলা হচ্ছে, যেটিকে ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি বলা হয়; এগুলো শুরু করতে পারে। কোনো শিক্ষার্থীর ভেতরে যদি এরকম কোনো চিন্তা-চেতনা থাকে, তারা শেয়ার করতে পারবে এবং তারা নতুন নতুন আইডিয়া সৃষ্টি করতে পারবে। 

তিনি আরও বলেন, উচ্চশিক্ষার কোয়ালিটির ক্ষেত্রে আমরা এর আগে যে দেখেছি, শিক্ষার সংখ্যাতত্ত্বটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কত সংখ্যক পাস করে, কত সংখ্যক বের হয়ে যায় এগুলো বিবেচনা করা হতো। কিন্তু ​এবার সংখ্যার পাশাপাশি আমাদের কোয়ালিটিটাকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। এসএসসি পর্যায় থেকে শুরু করে আমরাও সরকারের সাথে একমত হয়েছি যে, আমাদের যে শিক্ষার্থীটা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে বের হবে, সে যেন একদম সম্পূর্ণভাবে একজন কোয়ালিফাইড শিক্ষার্থী হিসেবে সে নিজেকে তৈরি করতে পারে।