২৭ সালের জুনের মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশনজট থাকবে না: উপাচার্য
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেছেন, ‘২০২৭ সালের জুনের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো কোর্সেই সেশনজট থাকবে না। একাডেমিক কার্যক্রমে গতি আনা, সিলেবাস আধুনিকায়ন এবং শিক্ষার্থীদের সময়োপযোগী দক্ষতা অর্জনের বিষয়ে ব্যাপক কার্যক্রম চলছে।’
শনিবার (৮ আগস্ট) রাজধানীর সার্কিট হাউস রোডে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) অডিটোরিয়ামে ‘গণমাধ্যম বিষয়ক তিন মাস মেয়াদি সার্টিফিকেট কোর্স ২০২৬’-এর নতুন ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে ঢেলে সাজানোর কাজ শুরু হয়েছে। বিশ্বমানের দক্ষতাভিত্তিক কোর্স চালু, সিলেবাস আধুনিকায়ন এবং বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও উন্নয়ন সংস্থার সঙ্গে শিক্ষার উন্নয়নে সমঝোতা স্মারক সই করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করতে যুগোপযোগী ও দক্ষতাভিত্তিক কারিকুলাম প্রণয়ন করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, চতুর্থ ও পঞ্চম শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রচলিত ও পুরোনো সিলেবাস পরিবর্তন করে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কারিকুলাম তৈরি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক মানে উন্নীত করার পাশাপাশি কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করা সম্ভব হবে।
উপাচার্য আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ ও আনন্দময় শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কর্মসূচির আওতায় দেশজুড়ে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মনন ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে ‘পারফর্মিং আর্টস কলেজ’ স্থাপনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, তাঁর গতিশীল নেতৃত্বে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নতুন উচ্চতায় এগিয়ে যাচ্ছে।
ফারুক ওয়াসিফ বলেন, বিগত সাত বছর ধরে পিআইবি দীর্ঘ সেশনজটের মুখোমুখি ছিল। অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ দায়িত্ব নেওয়ার পর সেই স্থবিরতা কাটতে শুরু করেছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন ও বিশ্বমানের কোর্স-কারিকুলাম প্রণয়নেও তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।
পিআইবির সহযোগী অধ্যাপক মনিরা শরমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের পক্ষ থেকে দুজন বক্তব্য দেন। এ সময় পিআইবির সমন্বয়ক, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত অতিথি ও প্রশিক্ষণার্থী সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।