জবিতে প্রবেশ করলেন জকসুর ভিপি-এজিএসহ শিবির নেতারা, অবস্থান ছাত্রদলেরও
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) ভিপি রিয়াজুল ইসলামসহ নির্বাচিত অন্য নেতারা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছেন। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন তিনি।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ছাত্র সংসদের অফিসে অবস্থান করছেন জকসু ভিপি। এ ছাড়া ক্যাম্পাসের কয়েকটি পয়েন্টে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও অবস্থান করছেন। তাদের পক্ষ থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের নির্দেশনা দিতে দেখা গেছে।
জকসু ভিপির সঙ্গে এজিএস মাসুদ রানা ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সেক্রেটারি মো. ইব্রাহীম খলীলসহ জকসু ও ছাত্রশিবিরের অন্য নেতাদেরও দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ক্যাম্পাসে প্রবেশে আইডি কার্ড দেখিয়ে প্রবেশে শিথিলতা রয়েছে। কেউ ইচ্ছে হলে দেখাচ্ছেন, আবার অনেকে দেখাচ্ছেন না। তবে সকালে শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে প্রবেশে কড়াকড়ি দেখা যায়।
এদিকে ক্যাম্পাসের ভেতরে শহীদ সাজিদ অ্যাকাডেমিক ভবনের সামনে ছাত্রদলের সুমন সর্দার গ্রুপ, শামসুল আরেফিন, জাফর আহমেদকে নেতাকর্মীদের নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। এ ছাড়া সংগঠনটির নেতারা ক্যাম্পাসের চত্বরে কোনো শিক্ষার্থীকে দাঁড়িয়ে থাকতে দিচ্ছেন না।
সেখানে গিয়ে দেখা যায়, জাফর আহমেদ বলছেন, ‘এখানে কি? সোজা ক্লাসে চলে যাও। এখানে দাঁড়ানো যাবে না।’
আরও খবর: এক ঘণ্টার মধ্যে তিন কর্মসূচির ঘোষণা জকসু-ছাত্রদল-ঐক্যবদ্ধ জগন্নাথের, হুঁশিয়ারি ছাত্রশক্তিরও
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একই জায়গায় ও একই সময়ে তিনটি সংগঠন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও কর্মসূচির পালন করার ঘোষণা দিয়েছে জকসু ও ঐক্যবদ্ধ জগন্নাথ।
এদিকে কর্মসূচিকে ঘিরে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে জকসু জিএস ও ছাত্রশক্তি। এর আগে গত মঙ্গলবার ছাত্রদলের হামলা ও মারধরের শিকার হন জকসু, ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি ও ইনকিলাব মঞ্চের নেতারা। এরপর থেকে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে।