২৫ জুলাই ২০২৬, ১৬:২৪

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে উচ্চশিক্ষার বৈশ্বিক হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: ভিসি

ঠাকুরগাঁওয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সাথে মতবিনিময় করেন ভিসি অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ  © সংগৃহীত

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে উচ্চশিক্ষার বৈশ্বিক হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। শুক্রবার (২৪ জুলাই) ঠাকুরগাঁওয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি। 

উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, অ্যাকাডেমিক স্বায়ত্তশাসন, আঞ্চলিক কলেজগুলোর অবকাঠামোগত ও ডিজিটাল রূপান্তরের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে শুধু দেশের সবচেয়ে বড় বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে নয়, বরং মানসম্মত উচ্চশিক্ষার একটি নির্ভরযোগ্য ও বৈশ্বিক হাব হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা কাজ করছি। প্রান্তিক ও দূরবর্তী অঞ্চলের কলেজগুলোকে সমান গুরুত্ব দিতে না পারলে সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন অসম্ভব।’

​ড. আমানুল্লাহ বলেন, ‘বিশ্বায়নের এই যুগে সনাতনী শিক্ষাপদ্ধতির আমূল পরিবর্তন জরুরি। আমাদের শিক্ষার্থীরা যেন আধুনিক বিশ্বের উপযোগী দক্ষতা অর্জন করতে পারে—সেটিই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলাম পুনর্বিন্যাস, ইনোভেশন ও রিসার্চভিত্তিক শিক্ষার ওপর জোর দেয়া হচ্ছে।’

​তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের মতো উত্তরের জেলার কলেজগুলোতে দ্রুততম সময়ে অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম জোরদার করা, লাইব্রেরি ও ল্যাবসমূহের আধুনিকায়ন এবং সেশনজট সম্পূর্ণ নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একইসাথে তিনি প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের সততা, নিষ্ঠা ও নতুন উদ্ভাবনী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে শিক্ষাদান কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান।

​জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন সংস্কারমূলক নীতির কথা ব্যক্ত করে ড. আমানুল্লাহ বলেন, আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলোকে আরও শক্তিশালী ও ক্ষমতায়িত করা হচ্ছে যাতে অধ্যক্ষগণকে সাধারণ অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কাজের জন্য বারবার গাজীপুর ক্যাম্পাসে ছুটতে না হয়। 

​জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আঞ্চলিক কেন্দ্র সমন্বয় দপ্তরের পরিচালক মো. আমিনুল আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন, ঠাকুরগাঁও ইকো কলেজের অধ্যক্ষ সেলিনা আক্তার, ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. মোকাররম হোসেন, ঠাকুরগাঁও সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. জুলফিকার আলীসহ জেলার অধিভুক্ত বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষ ও প্রধানগণ।