জুলাই অভ্যুত্থান স্মরণে ইবি প্রশাসনের লাল ব্যাচ ধারণ কর্মসূচি
জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের অংশ হিসাবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রশাসনের উদ্যোগে লাল ব্যাচ ধারণ কর্মসূচি সূচনা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ১১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত অফিস চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীদের লাল ব্যাচ ধারণ করার নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
শনিবার (১১ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনের চত্বরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে লাল ব্যাচ ধারণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান।
জুলাই-আগস্ট-২০২৪, ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস শাহীদ মিয়ার সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান, অধ্যাপক ড. আলীনূর রহমান, অধ্যাপক ড. নজিবুল হক, ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাছুদুল হক তালুকদার, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি আব্দুল মঈদ বাবুল, শাখা ছাত্রদলের আহবায়ক মাসুদ রুমি মিথুন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ার পারভেজ, সদস্যসচিব রাফিজ আহমেদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা কর্মচারীরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, ‘জুলাই-আগস্ট আমাদের জাতীয় জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় যেখানে দেশের অসংখ্য শিক্ষার্থী, জনতা শহীদ হয়েছেন। আমরা আজকে সেই জুলাই শহীদদের আত্মার প্রতি এবং তাদের অবদানের প্রতি স্বীকৃতিস্বরূপ, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনস্বরূপ এবং তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতাস্বরূপ আজকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমরা এই জুলাই স্মৃতি ধারণ করার লক্ষ্যে লাল ব্যাজ ধারণ করব।’
তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে পরিবর্তন হয়েছে, এটিই একমাত্র বিষয় নয়। এই অভ্যুত্থান আমাদের বেশ কিছু শিক্ষা দিয়েছে। আমরা সমাজের প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে যে বৈষম্য আছে, তা দূর করে বৈষম্যবিহীন সমাজ এবং রাষ্ট্র এবং পূর্বাপর বিদ্যালয়, শিক্ষা, শিক্ষাঙ্গনকে আমরা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চাই। পাশাপাশি অবিচার, অনাচার এবং মুক্ত চিন্তার যে অবারিত সুযোগ তৈরি হয়েছে, এটিকে আমরা অব্যাহত রাখতে চাই। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি আমাদের; আমরা যে যেখানেই থাকি না কেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মঙ্গলের জন্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নতির জন্য আমরা প্রত্যেকটি স্তরে থেকে সবাই মিলে একযোগে আমরা কাজ করতে চাই।’