স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ, সিনিয়র সহ-সভাপতির পদ পেলেন না বাপ্পি
নেশার টাকার জন্য স্ত্রীর উপরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাইদুল ইসলাম বাপ্পিকে পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। সাথে সাথে সেই পদ স্থগিত করে গত ১৯ জুন সিনিয়র সহ-সভাপতি ফাঁকা রেখেই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) শাখা ছাত্রদলের আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করে।
গত ১৭ জুন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছিল। আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জুলাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পেজ থেকে সেই আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়।
জানা যায়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাইদুল ইসলাম বাপ্পিকে তার সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। এর আগে মাইদুল ইসলাম বাপ্পির স্ত্রী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী উম্মে জেবিন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতির কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগে তিনি স্বামীর বিরুদ্ধে নেশার টাকার জন্য মারধর, মানসিক নির্যাতন, যৌতুকের জন্য চাপ সৃষ্টি এবং হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আনেন।
এদিকে অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এর মধ্যেই অভিযুক্ত নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিল কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জহির রায়হান বলেন, ‘আমি যেটা জানি, যেহেতু তার পদ স্থগিত, তাই ওই পদটা ফাঁকা রাখা হয়েছে। যদি সামনে যদি তাকে ঐ পদে বহাল রাখে বা স্থগিত আদেশ তুলে নেয় তাহলে ওই জায়গায় ওর নাম বসবে। তাই এখন পর্যন্ত ওই পদ স্থগিত। বাকি সেন্ট্রাল বুঝবে।’
তিনি বলেন, ‘আপনারা সবাই জানেন মেয়ের ইস্যু নিয়ে ঝামেলা হয়েছে। মেয়েঘটিত কারণ দেখতে পাচ্ছি। তাই তার পদ স্থগিত করে রাখা হয়েছে। এটা সেন্ট্রাল আরও ভালো জানে।’