ইবিতে বাংলা একাডেমির কনফারেন্স, শিক্ষকদের থেকে পাণ্ডুলিপি আহ্বান
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বাংলা একাডেমির ‘ভাষা, সাহিত্য, পাঠ্য ও পাঠ্যসহায়ক গ্রন্থ প্রণয়ন ও প্রকাশনা’ প্রকল্পের আওতায় পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ বিষয়ক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র-নজরুল কলা ভবনের গগণ হরকরা গ্যালারিতে এ কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মনজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সহযোগী অধ্যাপক রওশন আরার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ।
সূচনা বক্তব্য দেন বাংলা একাডেমির সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সমীর কুমার সরকার। প্রকল্পের ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক মো. কামাল উদ্দীন আহমেদ। আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. নাসরিন আক্তার ও অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান।
কনফারেন্সে বাংলা একাডেমির বিভিন্ন প্রকাশনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছ থেকে পাণ্ডুলিপি আহ্বান করা হয়। একই সঙ্গে পাণ্ডুলিপি জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া, মূল্যায়ন ও যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অনুসরণীয় বিষয়গুলো নিয়ে উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করেন বাংলা একাডেমির প্রতিনিধিরা।
এ সময় বাংলা একাডেমির দেশব্যাপী পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত করা, মানসম্মত পাণ্ডুলিপি নির্বাচন এবং প্রকাশনা ও সংরক্ষণ কার্যক্রম জোরদারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরা হয়।
মুক্ত আলোচনায় কয়েকজন শিক্ষক অভিযোগ করেন, পূর্বে পাণ্ডুলিপি জমা দেওয়ার পরও তারা দীর্ঘদিন বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাননি। এর জবাবে বাংলা একাডেমির সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সমীর কুমার সরকার বলেন, একই ধরনের বই প্রকাশের পরিবর্তে তথ্যবহুল, গবেষণানির্ভর ও বৈচিত্র্যময় পাণ্ডুলিপিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দের অভাবসহ বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে প্রকাশনা কার্যক্রমে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে। তবে এসব সমস্যা দ্রুত কাটিয়ে উঠতে বাংলা একাডেমি কাজ করছে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।