বেসরকারি কলেজগুলোর বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আমানুল্লাহ বলেছেন, যেসব কলেজ অনার্স কোর্স চালানোর মতো উপযুক্ত না, সেসব বেসরকারি কলেজের ব্যাপারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে। যদি কলেজগুলো কোয়ালিটি এডুকেশন দিতে না পারে, তাহলে সেসব কলেজের অনার্স কোর্স হয়তো বন্ধ হয়ে যেতে।
শুক্রবার (৫ জুন) রাজধানীর ধানমন্ডিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর কার্যালয়ে ‘কারিকুলামে দক্ষতাভিত্তিক ও কর্মমুখী শিক্ষা অন্তর্ভুক্তকরণ বিষয়ে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
অধ্যাপক ড. এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ‘অনার্স অধিভুক্তি এই মুহূর্তে বন্ধ আছে, ২০১৬ সালে পার্লামেন্টের একটা পার্লামেন্টারি কমিটির সংসদীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তা বন্ধ রয়েছে। আমরা সেটা এখনো চালু করিনি। অনার্স-মাস্টার্স খোলা থাকা সরকারি কলেজগুলার এক ধরনের বাস্তবতা, আর বেসরকারি কলেজগুলার এক ধরনের বাস্তবতা। জেলা ও ঢাকা শহরে অবস্থিত কলেজগুলোতে আরেক ধরনের বাস্তবতা রয়েছে।
উপজেলা অথবা আরো প্রত্যন্ত অঞ্চলের যেসব এলাকায় অনার্স কোর্স খোলা হয়েছে, সেখানে আরেক ধরনের বাস্তবতা। এই অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা কলেজগুলার র্যাংকিংয়ে হাত দিয়েছি এবং কলেজগুলো কিভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং অনার্স কোর্সগুলার আমরা একটা ইভালুয়েশন চলছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা আগেও বলেছি মাঠ পর্যায়ের সমস্ত তথ্য আমাদের হাতে এসে পৌঁছে গেছে। প্রায় ৯০ শতাংশ তথ্য আমাদের হাতে এসে পৌঁছে গেছে। সেসব তথ্য আমরা ইভালুয়েট করছি। আমরা ইনসপেকশন করছি, যেসব কলেজ অনার্স কোর্স চালানোর মত উপযুক্ত না, বিশেষত বেসরকারি কলেজগুলোতে সেগুলার ব্যাপারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে। যদি তারা সেটাকে কোয়ালিটি এডুকেশন না দিতে পারে। তাহলে সেই সমস্ত কলেজগুলোতে অনার্স কোর্স হয়তো বন্ধ হয়ে যেতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কোয়ালিটি নিশ্চিত করব কিন্তু আপনাকে একটা কথা আমরা বারবার বলা হয়েছে। গত দুই বছর থেকে বারবার বলার পরেও শিক্ষক সংখ্যা, ল্যাব ফ্যাসিলিটি বৃদ্ধি করা এবং ছেলেমেয়েদের শিক্ষার পরিবেশটাকে এনসিওর করা। সেগুলা কিন্তু কোনো কোনো কলেজ করছে না। আমরা এই কাজগুলা আমরা আবার দেখছি ও ইভালুয়েট করছি। যদি কথা না শুনেন তাহলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’