০৪ মে ২০২৬, ১৭:১৫

টুঙ্গিপাড়া সরকারি কলেজে স্নাতক প্রথম বর্ষে আসন শূন্য থাকার শঙ্কা

টুঙ্গিপাড়া সরকারি কলেজ  © সংগৃহীত

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া সরকারি কলেজে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তিতে বড় ধরনের আসন শূন্য থাকার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আবেদনকারীর সংখ্যা কম হওয়ায় শতাধিক শিক্ষার্থী সুযোগ পেলেও অধিকাংশ আসন ফাঁকা থেকে যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির জন্য মোট আবেদন করেছে ১৩১ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে প্রথম মেরিট তালিকায় ভর্তির সুযোগ পেয়েছে ১০৩ জন। অথচ কলেজটির অনার্স শাখায় মোট আসনসংখ্যা ৬৬৫টি। ফলে অধিকাংশ আসনই ফাঁকা থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিভাগভিত্তিক প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে হিসাববিজ্ঞান বিভাগে ১ জন, বাংলা বিভাগে ১৩ জন, অর্থনীতি বিভাগে ১ জন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে ৮ জন, ব্যবস্থাপনা বিভাগে ৩ জন, গণিত বিভাগে ১ জন এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে সর্বোচ্চ ৭৬ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। এতে বেশির ভাগ বিভাগেই আসন শূন্য থাকার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জানা গেছে, ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত টুঙ্গিপাড়া সরকারি কলেজটি ২০১০ সালে সরকারি করা হয়। ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষে কলেজটিতে অনার্স শাখা চালু হয়। বর্তমানে অনার্স শাখায় ২৪ জন শিক্ষকসহ মোট শিক্ষক রয়েছেন ৪৬ জন।

বিভাগভিত্তিক শিক্ষকসংখ্যা অনুযায়ী গণিত বিভাগে ২ জন, অর্থনীতি বিভাগে ১ জন, হিসাববিজ্ঞান বিভাগে ২ জন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ৩ জন, দর্শন বিভাগে ৩ জন, বাংলা বিভাগে ৪ জন, ব্যবস্থাপনা বিভাগে ৩ জন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে ৪ জন এবং সংস্কৃত বিভাগে ২ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। এ ছাড়া কলেজটিতে সরকারি ৬ জন এবং বেসরকারি ২১ জন কর্মচারী দায়িত্ব পালন করছেন।

কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. সাঈদ মাহমুদ বলেন, ‘পরবর্তী ধাপের মাইগ্রেশন ও রিলিজ স্লিপের মাধ্যমে কিছু আসন পূরণ হতে পারে বলে আশা করছি। পাশাপাশি ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে এই সংকট অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।