ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো মডেল জাতিসংঘ সম্মেলন
বৈশ্বিক নিরাপত্তা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, সহনশীলতা ও সুশাসনের গুরুত্ব তুলে ধরে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘ইস্টার্ন মডেল ইউনাইটেড নেশনস ২০২৬’ (ইমুন ২০২৬)। গত ৮ থেকে ১০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে অংশ নেন তরুণ কূটনীতিক, ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও উদ্যমী তরুণেরা। তাদের আলোচনা, বিতর্ক ও মতবিনিময়ে উঠে আসে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা।
‘রিকাস্টিং গ্লোবাল সিকিউরিটি থ্রু বায়োডাইভার্সিটি, রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড গভর্ন্যান্স’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত সম্মেলনটি তরুণদের জন্য বৈশ্বিক সংকট নিয়ে আলোচনা ও ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময়ের একটি কার্যকর মঞ্চ তৈরি করে। কূটনৈতিক আলোচনা, গঠনমূলক বিতর্ক এবং সম্মিলিতভাবে সমস্যা সমাধানের মধ্য দিয়ে অংশগ্রহণকারীরা আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নেতৃত্ব, সমঝোতা, বিশ্লেষণী চিন্তা ও আলোচনার দক্ষতা বিকাশের সুযোগ পান।
সম্মেলনে বৈশ্বিক নিরাপত্তার সঙ্গে পরিবেশগত স্থায়িত্ব, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি এবং সম্মিলিত সহনশীলতার পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। একটি শান্তিপূর্ণ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে শুধু জ্ঞানভিত্তিক আলোচনা নয়, বরং পারস্পরিক সহযোগিতা, জবাবদিহি এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতিও সম্মিলিত অঙ্গীকার প্রয়োজন—এমন বার্তাই উঠে আসে আয়োজনের বিভিন্ন পর্বে।
আনুষ্ঠানিক অধিবেশনের বাইরেও সম্মেলনটি অংশগ্রহণকারীদের পারস্পরিক যোগাযোগ, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের সুযোগ করে দেয়। কৌতূহল, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং ইতিবাচক পরিবর্তন আনার প্রত্যয় নিয়ে একত্র হওয়া তরুণেরা বিভিন্ন আলোচনা ও প্রস্তাবনার মধ্য দিয়ে ভিন্ন মত ও দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার গুরুত্ব তুলে ধরেন। ক্রমবর্ধমান আন্তঃসংযুক্ত বিশ্বে আন্তর্জাতিক সমস্যা সমাধানে সংলাপ ও সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তাও তাঁদের আলোচনায় প্রতিফলিত হয়।
ইস্টার্ন মডেল ইউনাইটেড নেশনস ২০২৬ তরুণ নেতৃত্ব ও কূটনৈতিক সম্পৃক্ততার পাশাপাশি একটি উন্নত ভবিষ্যৎ নির্মাণে সংলাপের গুরুত্ব তুলে ধরে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, সম্মেলনের অভিজ্ঞতা অংশগ্রহণকারীদের গভীরভাবে চিন্তা করতে, দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে এবং আরও নিরাপদ, সহনশীল ও টেকসই বিশ্ব গঠনে অবদান রাখতে অনুপ্রাণিত করবে।