আইইউবিএটিতে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উদ্যাপন
নানা সচেতনতামূলক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উদ্যাপন করেছে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি। আইইউবিএটির মনোবিজ্ঞান বিভাগ ও প্রফেসর মাহমুদা খানম হেলথকেয়ার সেন্টার যৌথভাবে দিবসটি পালন করে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল “যাপিত অভিজ্ঞতার কথা শুনি: প্রকৃত কণ্ঠস্বর, প্রকৃত পরিবর্তন”।
দিবসটি উপলক্ষে শনিবার (১০ অক্টোবর) আইইউবিএটি ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সকাল ১১টায় মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা শোভাযাত্রার মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো প্রদক্ষিণ করে। এতে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক কুসংস্কার দূরীকরণ এবং সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহায়তার বার্তা তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইইউবিএটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রব, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ মাহমুদুর রহমান এবং কোষাধ্যক্ষ ও প্রশাসন পরিচালক অধ্যাপক সেলিনা নার্গিস। তাঁদের উপস্থিতি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে আরও সচেতন হতে এবং ইতিবাচক উদ্যোগ গ্রহণে উৎসাহিত করে।
দিবস উদ্যাপনের অংশ হিসেবে আইইউবিএটি স্টাডি এরিনায় দিনব্যাপী “মানসিক স্বাস্থ্য মেলা” অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে মেলায় মোট ছয়টি স্টল স্থাপন করা হয়। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হলো:
প্রফেসর মাহমুদা খানম হেলথকেয়ার সেন্টারের মাইন্ড চেক স্টেশন, আইসেলফ, সাইকোলজিক্যাল হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেস কেয়ার, হিলিং হার্ট, দ্য কমপ্যাশন কোলাবোরেশন
এসব স্টল থেকে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মানসিক স্বাস্থ্য, পরামর্শসেবা, সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং প্রয়োজনে সহায়তা পাওয়ার উপায় সম্পর্কে তথ্য পান।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে আইইউবিএটির শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। আয়োজকরা বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য সামগ্রিক সুস্থতার একটি অপরিহার্য অংশ। মানুষ কীভাবে ভাবে, অনুভব করে, শেখে, সিদ্ধান্ত নেয়, সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং দৈনন্দিন জীবনের প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে, তার প্রতিটি ক্ষেত্রেই মানসিক স্বাস্থ্যের গভীর প্রভাব রয়েছে।
আয়োজকরা আরও বলেন, এ বছরের প্রতিপাদ্য মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে স্বীকৃতি ও মূল্য দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনলে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নেতিবাচক ধারণা কমে আসে। এর মধ্য দিয়েই একটি সহায়ক ও সহমর্মী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।