১০ অক্টোবর ২০২৬, ২০:৪১

বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় আইইউবিএটির ১২ গবেষক

আইইউবিএটির ১২ জন গবেষক   © টিডিসি ফটো

যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও আন্তর্জাতিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ারের প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির (আইইউবিএটি) ১২ জন গবেষক। বুধবার (৭ অক্টোবর) ২০২৬ সালের এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

তালিকায় স্থান পাওয়া গবেষকেরা হলেন—আইইউবিএটির অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও চেয়ার অধ্যাপক ড. গোলাম রাসুল, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শুভাশ চন্দ্র পাল, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ও কো-অর্ডিনেটর ড. মো. হারুন উর রশিদ, কলেজ অব অ্যাগ্রিকালচারাল সায়েন্সেসের অধ্যাপক ড. মো. নাজিরুল ইসলাম সরকার, কলেজ অব ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টের সহযোগী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা তালুকদার, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান ও ড. মো. শওকাত হোসেন এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাঈম হোসেন।

এ ছাড়া কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আলামিন তালুকদার, কলেজ অব নার্সিংয়ের মোস্তাক করিম খান রনি এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. মাহমুদ জোবায়ের ও মো. মোবারক হোসেন এ তালিকায় স্থান পেয়েছেন।

বিশ্বের শীর্ষ দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় আইইউবিএটির ১২ গবেষকের স্থান পাওয়াকে বিশ্ববিদ্যালয়টির জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট গবেষকদের এ সাফল্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশ্ববিদ্যালয়টির সুনাম বৃদ্ধির পাশাপাশি বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাক্ষেত্রের জন্যও গৌরবের বিষয়।

এ সাফল্যে আইইউবিএটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুর রব ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেলিনা নার্গিস গবেষকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাবেক শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার উৎকর্ষ, উদ্ভাবন এবং বিশ্বমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. আলিমুল্লাহ মিয়ান ১৯৯১ সালে আইইউবিএটি প্রতিষ্ঠা করেন। এটি বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। রাজধানীর উত্তরায় সবুজ ক্যাম্পাসে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ব্যবসায় প্রশাসন, কৃষি, প্রকৌশল, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও নার্সিংসহ বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। দক্ষ, নৈতিক ও বৈশ্বিকভাবে যোগ্য গ্র্যাজুয়েট তৈরি করাই বিশ্ববিদ্যালয়টির লক্ষ্য।