০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৫১

ডিআইইউ পরিদর্শনে স্লোভেনিয়ার সাবেক এমপি টাডেজ স্ল্যাপনিক

ডিআইইউ পরিদর্শনকালে টাডেজ স্ল্যাপনিকসহ উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ  © টিডিসি ফটো

স্লোভেনিয়ার সাবেক সংসদ সদস্য, প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এবং দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সেক্রেটারি অব স্টেট টাডেজ স্ল্যাপনিক ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) পরিদর্শন করেছেন।

বুধবার (১ জুলাই) অনুষ্ঠিত এ সফরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ডিজিটাল রূপান্তর, সামাজিক উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ব্লকচেইন প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান, ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবালসহ জ্যেষ্ঠ একাডেমিক ব্যক্তিবর্গ ও কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান।

বৈঠকে শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ভবিষ্যতে যৌথ উদ্যোগে কাজ করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে সামাজিক উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং ব্লকচেইন প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে উভয় পক্ষ নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

এ সময় চীনের ইউথিংক সেন্টারের সেক্রেটারি জেনারেল অ্যালেক্স ওয়াং উপস্থিত ছিলেন। সম্ভাব্য যৌথ উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়েও তিনি আলোচনায় অংশ নেন।

পরে টাডেজ স্ল্যাপনিক ও সফরসঙ্গীরা ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটিতে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ঘুরে দেখেন। এ সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম, গবেষণা উদ্যোগ, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এবং উদ্ভাবনভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে অবহিত হন।

আরও পড়ুন: কারাগারে কেমন আছে আলোচিত সেই ঐশী?

বর্তমানে টাডেজ স্ল্যাপনিক ইউরোপ-এশিয়া সেন্টার অন ডিজিটাল ইকোনমি অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ইনোভেশনের কো-চেয়ার, হাই-লেভেল গ্রুপ অন ব্লকচেইন ফর দ্য এসডিজিসের কো-চেয়ার এবং ওয়ার্ল্ড ব্লকচেইন হাবের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ডিজিটাল অর্থনীতি, ব্লকচেইন প্রযুক্তি এবং টেকসই উন্নয়ন নিয়ে তার দীর্ঘদিনের কাজ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমাদৃত।

বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ সফরের মাধ্যমে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সঙ্গে আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা আরও জোরদার হবে। পাশাপাশি প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং টেকসই উন্নয়ন নিয়ে ভবিষ্যতে যৌথভাবে কাজ করার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।