২০ মে ২০২৬, ২০:৫২

আশুলিয়ায় ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটি ও এলজিইডির সমন্বয়ে নতুন সড়কের উদ্বোধন

সড়কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন  © সৌজন্যে প্রাপ্ত

আশুলিয়াকে আধুনিক, পরিকল্পিত ও যোগাযোগসমৃদ্ধ অঞ্চলে রূপান্তরের লক্ষ্যে ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটি ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নিজস্ব অর্থায়ন এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর কারিগরি সহযোগিতায় নতুন একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আজ বুধবার (২০ মে) আশুলিয়ার দেওয়ান বাড়ি–কাকাবো–দত্তপাড়া–ডিএসসি সড়কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এ সড়ক চালু হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য, কর্মসংস্থান ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল, রেজিস্ট্রার ড. মোহাম্মদ নাদির বিন আলী এবং প্রক্টর ড. শেখ মুহাম্মদ আল্লাইয়ারসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু বলেন, এ সড়ক উন্নয়ন শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন নয়, বরং এটি আশুলিয়ার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি বলেন, সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ একটি এলাকার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটির বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের ফলে আশুলিয়া ধীরে ধীরে শিক্ষা, প্রযুক্তি ও আধুনিক নাগরিক সুবিধাভিত্তিক একটি স্মার্ট নগরীতে রূপ নিচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান বলেন, স্মার্ট সিটির লক্ষ্য শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং শিক্ষা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই নগরায়ণের মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক স্মার্ট কমিউনিটি গড়ে তোলা।

তিনি আরও জানান, এই ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন এবং একটি জ্ঞানভিত্তিক আধুনিক অঞ্চল গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নতুন সড়ক চালুর ফলে যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসা, পরিবহন ও সেবা খাতে নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে আশুলিয়ার পরিকল্পিত নগরায়ণ ও অবকাঠামো উন্নয়নেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্ব এবং স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকলে আশুলিয়া ভবিষ্যতে বাংলাদেশের একটি স্মার্ট, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর উন্নয়নের মডেল হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।