১৭ মে ২০২৬, ২২:১৮

দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসে সংবাদ প্রকাশের পর ডিআইইউ ক্যাম্পাসে মশা নিধন কর্মসূচি

মশকনিধন স্প্রে দেওয়া হচ্ছে  © সংগৃহীত

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলগুলোতে মশার উপদ্রব নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংবাদ প্রকাশের পর মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রবিবার (১৭ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের তদারকিতে সিটি করপোরেশনের অধীনে ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় মশা নিধন স্প্রে ও পোকামাকড় দমন কার্যক্রম চালানো হয়।

এর আগে গত শুক্রবার (১৫ মে) দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসে ‘মশার উপদ্রবে ডিআইইউ ক্যাম্পাস যেন এক রক্তদান কেন্দ্র’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটিতে ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলগুলোতে বাড়তে থাকা মশার উৎপাত, শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি এবং স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি তুলে ধরা হয়। সংবাদ প্রকাশের পরপরই বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়।

শিক্ষার্থীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পাসের ক্যান্টিন, ক্লাসরুম, ওয়াশরুম, ছাদ ও বাগানসহ বিভিন্ন স্থানে মশার উপদ্রব বেড়ে চলেছে। বিশেষ করে বিকেল ও সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। একই অবস্থা বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে থাকা ছেলেদের ছয়টি ও মেয়েদের তিনটি আবাসিক হলেও বিরাজ করছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সমস্যাটি চললেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছিল না। তবে সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন তারা। একইসঙ্গে নিয়মিত মশা নিধন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মো. তাহজীব উল ইসলাম বলেন, ‘ক্যাম্পাসসহ আশপাশের এলাকায় সিটি করপোরেশন নিয়মিত মশা নিধন স্প্রে করে থাকে। সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবহিত করেছিলাম, যাতে তারা সিটি করপোরেশনের সঙ্গে যোগাযোগের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘গতকাল সিটি করপোরেশনের সঙ্গে কথা বলেছি। তারই প্রেক্ষিতে আজ সকালে ক্যাম্পাসসহ আশপাশের এলাকায় পোকামাকড়ের ওষুধ ছিটানো হয়েছে এবং বিকেলে মশা নিধন স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। আমরা এটিকে অব্যাহত রাখবো।’ 

এদিকে, মশা নিধন কার্যক্রম শুরু হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং তারা ক্যাম্পাসসহ আশেপাশে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং ধারাবাহিক স্প্রে কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়েছেন।