০৪ মে ২০২৬, ২২:৪০

দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথমবারের মতো আইএইউপি সেমি-অ্যানুয়াল মিটিং আয়োজন করবে ড্যাফোডিল

সংগৃহীত ছবি  © সংগৃহীত

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) আনুষ্ঠানিকভাবে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্টস (আইএইউপি) সেমি-অ্যানুয়াল মিটিং ২০২৬ আয়োজনের দায়িত্ব অর্জন করেছে। আগামী ১৯ থেকে ২১ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য, আইএইউপির ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো সম্মেলনটি দক্ষিণ এশিয়ায় আয়োজন করা হচ্ছে।

লিথুয়ানিয়ার ভিলনিয়াসে মাইকোলাস রোমেরিস বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত আইএইউপি সেমি-অ্যানুয়াল মিটিং ২০২৬-এর সমাপনী অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান বিশিষ্ট বক্তা এবং আইএইউপির ট্রেজারার-ইলেক্ট হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।

সম্মেলনের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে তিনি প্রতীকী ট্রানজিশন প্রক্রিয়ায় সম্মেলনের ক্রেস্ট গ্রহণ করেন, যার মাধ্যমে বাংলাদেশে পরবর্তী সম্মেলন আয়োজনের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়।

এই অর্জন প্রসঙ্গে ড. মো. সবুর খান বলেন, আইএইউপি সম্মেলন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ও শিক্ষাবিদদের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। বাংলাদেশে এই আয়োজন আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের এবং এটি দেশের উচ্চশিক্ষাকে বৈশ্বিক অঙ্গনে আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়তা করবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এ ধরনের আন্তর্জাতিক আয়োজন বাংলাদেশকে শিক্ষা, উদ্ভাবন এবং একাডেমিক নেতৃত্বের একটি উদীয়মান কেন্দ্র হিসেবে বিশ্বে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্টস (আইএইউপি) বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ একটি বৈশ্বিক সংগঠন, যেখানে বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধানরা সদস্য হিসেবে যুক্ত রয়েছেন। সংস্থাটি আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষায় সহযোগিতা বৃদ্ধি, নেতৃত্ব উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয় নেতাদের এই সম্মেলন আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ বৈশ্বিক একাডেমিক সংলাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে। পাশাপাশি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।