২৭ মার্চ ২০২৬, ০০:১১

কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির দুই ব্যাচ থেকে উত্তীর্ণ ৩৩ শিক্ষার্থী

কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির লোগো  © সংগৃহীত

দেশের আইন শিক্ষা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের অন্যতম ধাপ বাংলাদেশ বার কাউন্সিল পরীক্ষায় আবারও সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (সিবিআইইউ)। সমুদ্র নগরী কক্সবাজারে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি ইতোমধ্যে শিক্ষা ও ফলাফলের ধারাবাহিকতায় নিজস্ব অবস্থান সুদৃঢ় করেছে, আর এবারের ফলাফল সেই অগ্রযাত্রাকেই আরও শক্তিশালী করেছে।

সদ্য প্রকাশিত বার কাউন্সিল পরীক্ষার ফলাফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির দুই ব্যাচ থেকে মোট ৩৩ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। প্রতিযোগিতাপূর্ণ এই পরীক্ষায় এমন সাফল্যকে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার রাজিদুল হক।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, আইন পেশায় প্রবেশের অন্যতম প্রধান এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য যেমন গৌরবের, তেমনি প্রতিষ্ঠানের জন্যও এটি একটি বড় অর্জন। দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে সিবিআইইউ’র শিক্ষার্থীরা নিজেদের যোগ্যতা ও প্রস্তুতির দৃঢ়তা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন।

উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা হলেন- ইমরানুল হক, নুসরাত জাহান, মোহাম্মদ সামি, জাকিয়া ইজমা সাফা, সাইদ মোহাম্মদ কানন, সুফিয়া কলি, মুন্নী চৌধুরী, জিদনিল কবির জেনিথ, মোফাজ্জল হোসেন তুহিন, সায়েদ কায়েদে আযম, শিফারুল আযম, সুমথ বড়ুয়া, আব্দুল্লাহ আল মামুন, ইসরাত আফরোজা তিসা, এজাজ উল্লাহ, মোয়াজ্জেম মোর্শেদ জিনান, মহিব উল্লাহ, হুমায়ুন কবির, সাইফুর রহমান, রাগীব নাদিম, আমান উল্লাহ খান, আরজিনা আক্তার, মোহাম্মদ জোনাইদ হোসাইন, সানজিদা নাজনিন সাজু, মুর্শিদা জাহান, অর্জুন শর্মা মান্না, আতিকুল ইসলাম, শওকত উসমান, কলিম উল্লাহ, ওমং, আতিকুল কবির টুটুল, সাইরিন চৌধুরী ইতি এবং নুসরাত জাহান।

উত্তীর্ণদের মধ্যে অনেকেই ইতোমধ্যে আইন পেশায় যুক্ত হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং ভবিষ্যতে দেশের বিচারব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

এদিকে এই কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান লায়ন মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান এবং ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবা সুলতানা শিউলি। তারা এক বিবৃতিতে বলেন, “বার কাউন্সিলের মতো তীব্র প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া নিঃসন্দেহে গৌরবের বিষয়। আমাদের শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা, পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে এই সাফল্য অর্জন করেছে।”

তারা আরও বলেন, “একই সঙ্গে ৩৩ জন শিক্ষার্থীর উত্তীর্ণ হওয়া প্রমাণ করে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদান পদ্ধতি, একাডেমিক পরিবেশ ও শিক্ষার মান যথেষ্ট উন্নত এবং সময়োপযোগী। আমরা বিশ্বাস করি, এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দও এই অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণ, মুট কোর্ট প্র্যাকটিস, আইন বিষয়ক সেমিনার এবং একাডেমিক গাইডলাইনের সঠিক অনুসরণই এই সাফল্যের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে।

কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান গোলাম মাওলা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, “আমাদের ইউনিভার্সিটির মানসম্মত শিক্ষায় মূলত সাফল্যের চাবিকাঠি। শিক্ষার পরিবেশ, মান, আইন চর্চা মাধ্যমসহ কোনো দিক থেকেই আমাদের প্রতিষ্ঠান পিছিয়ে নেই। তাছাড়া এখানে শিক্ষার্থীদের আইন সম্পর্কিত বিভিন্ন কোর্স করানো হয়, যেগুলো বার কাউন্সিল পরিক্ষায় উত্তির্ন হতে বেশ সহায়ক হিসেবে কাজ করে।”