দেশের শিক্ষাব্যবস্থার রূপান্তরে অবদান রাখবে গ্রামীণ ইউনিভার্সিটি: ড. ইউনূস
দেশের ১১৬তম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গ্রামীণ ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার রূপান্তরে অবদান রাখবে বলে মন্তব্য করেছেন নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার (৯ মার্চ) ইউনূস সেন্টারে অনুষ্ঠিত গ্রামীণ ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের পঞ্চম সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান অবস্থা ও শিক্ষার্থী এবং সমাজসেবায় বিশ্ববিদ্যালয়টিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গভাবে সচল করার রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় বলা হয়, গ্রামীণ ইউনিভার্সিটির লক্ষ্য হলো একটি অনন্য, সমাজকেন্দ্রিক ও উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা, যা বাস্তব সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন ধারণা, নেতৃত্ব ও সমাধান তৈরিতে নিবেদিত থাকবে।
এ সময় ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আমরা সেই দিনের প্রতীক্ষায় আছি, যখন গ্রামীণ ইউনিভার্সিটি তার দ্বার উন্মোচন করবে এবং বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার রূপান্তরে অবদান রাখবে।
জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২২ শর্তে গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের অনুমোদন দিয়ে আদেশ জারি করে। অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি সংস্থা গ্রামীণ ট্রাস্ট এ ইউনিভার্সিটির জন্য আবেদন করে। এটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল হাসান।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশে গ্রামীণ ইউনিভার্সিটিকে দেওয়া শর্তের মধ্যে আছে সাময়িক অনুমতির মেয়াদ হবে সাত বছর, প্রস্তাবিত ইউনিভার্সিটির কমপক্ষে ২৫ হাজার বর্গফুট আয়তনের নিজস্ব বা ভাড়া করা ভবন থাকতে হবে। ন্যূনতম তিনটি অনুষদ ও এসব অনুষদের অধীন কমপক্ষে ছয়টি বিভাগ থাকতে হবে। এছাড়া ইউনিভার্সিটির নামে সংরক্ষিত তহবিলে কমপক্ষে দেড় কোটি টাকা যে কোনো তফসিলি ব্যাংকে জমা থাকতে হবে। এ রকম ২২টি শর্ত তাদের মানতে হবে।
এদিকে গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় গত বছরের আগস্টে জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে। প্রথম ধাপে পাঁচটি অনুষদের ডিন ও বিভিন্ন বিভাগে পরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।