২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:২০

‘মামলা নেই, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নেই, সার্টিফিকেশনেও সমস্যা নেই’— তবুও কেন বাদ, প্রশ্ন প্রাথমিকে সুপারিশ পাওয়া সাগরের

নাজমুল হাসান সাগর  © সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপ্রত্যাশী ১৪ হাজার প্রার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে। নির্বাচিত প্রার্থীদের অনুকূলে নিয়োগপত্র জারির পর আজ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দেশের বিভিন্ন জেলায় এই নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হয়েছে। তবে  কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও নিয়োগপত্র পায়নি বলে অভিযোগ তুলেছেন চাঁদপুরের নাজমুল হাসান সাগর। 

নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, চুড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র নেই। ডিপিইও থেকে জানাল- ভ্যারিফিকেশনে বাদ। যেখানে আমার কোনো মামলা নেই, স্থায়ী ঠিকানাজনিত সমস্যা নেই, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নেই। একাডেমিক সার্টিফিকেশনেও সমস্যা নাই। সেখানে একজন মানুষের এনএসআই রিপোর্ট নেগেটিভ আসে কিভাবে?

এদিকে নিয়োগপত্র পাননি বলে বিভিন্ন জেলার আরও অনেক প্রার্থী অভিযোগ তুলেছেন। 

এসব বিষয়ে কথা হয় মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মোল্লার সঙ্গে। দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে তিনি জানান, ‘মন্ত্রণালয় থেকে আমরা যাদের নিয়োগপত্র দেওয়ার জন্য নির্দেশনা পেয়েছি, তাদেরই নিয়োগপত্র দিচ্ছি। যাদের দিতে পারব না, তাদের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখব। নিয়োগের বিষয় খুব কনফিডেনসিয়াল। এর বাইরে আমি কিছু বলতে পারব না।’

একই কথা বলেন ময়মনসিংহ এবং নরসিংদীর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারও। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত কথা বলতেও রাজি হননি তারা।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের আন্দোলনের একজন নেতা ও মুখপাত্র দেবব্রত সরকার দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, অনেক জেলার নিয়োগপত্র ওয়েবসাইটে দেওয়া হচ্ছে, আবার কোনো কোনো জেলারটি ডাকযোগেও পাঠানো হবে বলে জেনেছি। কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও অনেকে নিয়োগপত্র পাচ্ছেন না বলে জানতে পেরেছি, যেমন চাঁদপুরে ২৭ জন পাননি, ঝালকাঠিতে ২০-২২ জন। শুনেছি পুলিশ ভ্যারিফিকেশন এবং গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় তারা নিয়োগপত্র পাননি। আমি জেলারটি এখনও দেওয়া শুরু না হওয়ায় আমিও নিয়োগপত্র পাইনি।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপসচিব (বিদ্যালয়-২) রাজীব কুমার সরকার বলেন, ‘নিয়োগপত্র প্রদানের তালিকা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে রয়েছে। নির্বাচিত সবাই নিয়োগপত্র পাবে কি না এই বিষয়ে জানা নেই।