দুই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তালা, ১১ শিক্ষককে শোকজ
কক্সবাজারের টেকনাফে সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়ার ঘটনায় ১১ শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন টেকনাফ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা আবু নোমান মো. আবদুল্লাহ।
বিদ্যালয় দুটি হলো- উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের হরিখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও লাতুরিখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয় দুটির প্রধান শিক্ষক হলেন আলী আকবর সাজ্জাদ ও নাসিমা আক্তার।
শোকজ নোটিশে বলা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরেজমিনে বিদ্যালয় দুটি পরিদর্শনে যান। এ সময় কোনো প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, কর্মচারী কিংবা শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের সব শ্রেণিকক্ষ তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল।
আরও বলা হয়, এভাবে বিদ্যালয় বন্ধ ও দায়িত্বে অনুপস্থিত থাকা সরকারি বিধি লঙ্ঘনের শামিল। কর্তব্যকর্মে অবহেলার কারণে কেন সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষক ও তাদের অধীনস্থ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে না তার সন্তোষজনক ব্যাখ্যা আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে দিতে বলা হয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী বলেন, দুইটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শোকজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জবাব যুক্তিসংগত না হলে তাদের বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা আবু নোমান মো. আবদুল্লাহ বলেন, অনেক সময় শিক্ষকরা নিয়ম না মেনে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করেন এবং দুপুরের পর ছুটি দিয়ে চলে যান এমন অভিযোগ রয়েছে। এ কারণেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরেজমিনে বিদ্যালয় দুটি পরিদর্শন করেছেন।
তিনি বলেন, ১১ শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে শিক্ষকরা নিয়ম মেনে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।