আগে অনেকে বলতো মিলন ম্যাজিক, এখন হচ্ছে ডিজিটাল ম্যাজিক
নকল ও অনিয়মমুক্ত পরীক্ষা আয়োজনে বর্তমান সরকারের ডিজিটাল পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। অতীতের সনাতন পদ্ধতির চেয়ে বর্তমানের ‘ডিজিটাল ম্যাজিক’ শিক্ষাঙ্গণে আমূল পরিবর্তন এনেছে। এখন আর প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে পাহারা দেওয়ার প্রয়োজন হয় না, সিসিটিভি ক্যামেরা, সচেতন শিক্ষক ও অভিভাবক, এবং প্রশাসনের কড়া নজরদারির পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বডি ক্যামেরা ব্যবহার করে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করছে। শিক্ষার্থীরাও এখন পরীক্ষার অনিয়ম থেকে দূরে সরে পড়ালেখায় মনোযোগী হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ইউনেস্কো আয়োজিত ‘গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন সিস্টেম, ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট অ্যান্ড মাল্টিপ্লায়ার গ্রান্ট ফর বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে আগামী দিনের শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করা হচ্ছে, যার সাথে শিক্ষার্থীরাও খাপ খাইয়ে নিচ্ছে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগ যেমন : তৎপর রয়েছে, তেমনি যে-কোনো দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।
চলতি বছর শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার (ড্রপআউট) হার বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, এসএসসি, দাখিল বা আলিমের পর সাধারণত মেয়েদের বিয়ে হয়ে যাওয়া কিংবা ছেলেদের কাজে যোগ দেওয়ার কারণে কিছু শিক্ষার্থী ঝরে পড়ে। তবে এবার এই হার তুলনামূলক বেশি। এর মূল কারণ, শিক্ষার্থীরা বুঝতে পেরেছে যে, যথাযথ প্রস্তুতি ও পড়ালেখা ছাড়া এখন আর পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়।
মন্ত্রী আরোও বলেন, এই ড্রপআউটের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে এবং এটি নিয়ে সরকার গবেষণা করছে। আগামী দিনে ঝরে পড়ার হার রোধ করতে ক্লাসরুমের পাঠদান ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ বৃদ্ধি এবং সিলেবাস ও সময়সূচিকে নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।