প্রাথমিকে ৭৪ হাজার ৬৭৮ পদে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বড় সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের ৩৬ হাজার ২৩৫টি শূন্যপদে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে নতুন করে ৩৮ হাজার ৪৪৩টি পদ শূন্য হবে, যা দ্রুত পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, মামলাজটের কারণে আটকে থাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক পদের নিয়োগের বাধা ইতোমধ্যেই আপিল বিভাগের রায়ে কেটেছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের ৩৬ হাজার ২৩৫টি শূন্যপদ রয়েছে। এসব পদে নিয়োগ দেওয়া হলে সহকারী শিক্ষক থেকে পদোন্নতি পাওয়ায় নতুন করে ৩৮ হাজার ৪৪৩টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য হবে। তিনি বলেন, এসব শূন্য পদেও দ্রুত নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে। এটি যেমন মন্ত্রণালয়ের জন্য সুখবর, তেমনি সারা দেশের চাকরিপ্রার্থীদের জন্যও সুখবর।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষক সংকট দূর করতে পর্যায়ক্রমে শূন্য পদগুলো পূরণে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। নতুন করে সৃষ্টি হওয়া শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ দেওয়া হলে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট অনেকাংশে কমে আসবে।
মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন পদোন্নতি বন্ধ থাকায় সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হয়েছে এবং অনেক শিক্ষক কোনো পদোন্নতি ছাড়াই অবসরে গেছেন। একই সঙ্গে প্রায় ৬০ লক্ষাধিক শিক্ষার্থীর শিখন কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান এবং সরকারের শিক্ষা উন্নয়ন কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, বড় একটি জটিলতা থেকে বেরিয়ে আসলাম। এর মাধ্যমে দ্রুতই নতুন শিক্ষক নিয়োগ হবে এবং প্রাথমিক শিক্ষায় গতি আসবে। সংবাদ সম্মেলনে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজলসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।