সাড়ে ৪ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় পেল ৬৭ কোটি টাকা, কোন স্কুল কত পেল দেখে নিন
২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত পরিচালন বাজেটের আওতায় মেরামত ও সংস্কার কাজের জন্য দেশের ৪ হাজার ৪৬০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ৬৬ কোটি ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১২৪০২০৯০০০০০০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহ এর কোড ৩২৫৮১০৮ অন্যান্য ভবন ও স্থাপনা খাতে দুইশত চার কোটি টাকা হতে সংযুক্ত তালিকা অনুসারে ৪৪৬০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬৬ কোটি নব্বই লাখ টাকা শর্তসাপেক্ষে ব্যয়ের নিমিত্ত বরাদ্দ ও মঞ্জুরী তার নিয়ন্ত্রণাধীনে প্রদান করা হলো এবং সংশ্লিষ্ট আয়ন-বায়ন কর্মকর্তাকে (উপজেলা/থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার) উক্ত অর্থ উত্তোলন ও ব্যয়ের ক্ষমতা প্রদান করা হলো। ৩৮.০০৬.০২০.০৭.০০.০৪৫,২০০৯-১৩৮
শর্তসমূহ:
ক) এ অর্থ ব্যয়ে সরকারের সকল আর্থিক বিধি-বিধান ও অনুশাসনাবলী যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে;
খ) মন্ত্রণালয়ের ২০/০৫/২০১৩ তারিখের ৩৮.০০৬.০২০.০৭.০০.০৪৫,২০০৯-১৩৮ নং স্মারক এবং ২২/০৫/২০১৯ তারিখের ৩৮.০০, ০০০০.০০৬.২০.০৪৫.১৯,২৩৩ নং স্মারকে জারীকৃত নীতিমালার আলোকে এবং বিভাজন অনুসরণ ব্যতীত অর্থ ব্যয় করা যাবে না;
গ) এই ব্যয় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত পরিচালন বাজেটের আওতায় ১২৪০২০৯০০০০০০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহ এর কোড ৩২৫৮১০৮ অন্যান্য ভবন ও স্থাপনা খাতে বরাদ্দকৃত ২০৪ কোটি টাকা হতে মিটানো হবে;
ঘ) ভ্যাট পরিশোধের প্রমাণক সংরক্ষণ করতে হবে। ব্যর্থতায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপর দায়-দায়িত্ব বর্তাবে;
ঙ) আগামী ৩০.০৬.২০২৬ তারিখের মধ্যে মেরামত ও সংস্কারের কাজ সমাপ্ত করতে হবে;
চ) নীতিমালার ১১(ট) শর্তের আলোকে ২০২৫ এর মধ্যে অর্থ বরাদ্দ, অর্থ ব্যয়, অব্যয়িত অর্থ উল্লেখপূর্বক ব্যয়িত অর্থের হিসাব প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রেরণ নিশ্চিত করতে হবে। ব্যর্থতায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপর দায়-দায়িত্ব বর্তাবে;
ছ) সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের ২০.০৫.২০১৩ তারিখের নীতিমালার ১(৭) শর্ত প্রযোজ্য হবে;
জ) নিবিড় তদারকীর মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মানসম্মতভাবে কাজ সমাপ্ত করতে হবে। ব্যর্থতায় সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষক ও কমিটির (এসএমসি) উপর দায়-দায়িত্ব বর্তাবে;
ঝ) সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় উপপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা; জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার; উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা; উপজেলা প্রকৌশলী, এলজিইডি কার্যক্রম তদারকী করবেন;
ঞ) অডিটের প্রয়োজনে সকল বিল-ভাউচার যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে; চ) অব্যয়িত অর্থ ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জামা দিতে হবে।
কোন স্কুল কত বরাদ্দ পেল দেখুন এখানে