১৩ জুন ২০২৬, ২১:২৩

সাংস্কৃতিক চর্চার বিরোধীদের জন্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জিম্মি করতে পারি না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন ববি হাজ্জাজ  © সংগৃহীত

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, দেশের অগ্রগতির জন্য সাংস্কৃতিক শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গান, নাচ ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড শিশুদের সৃজনশীলতা, আত্মবিশ্বাস এবং মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, যারা সাংস্কৃতিক চর্চার বিরোধিতা করে, তাদের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির কাছে আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জিম্মি করতে পারি না। শিক্ষা ও সংস্কৃতি একসঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে।

শনিবার ঢাকার মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে জাতীয় পর্যায়ে আন্তঃপিটিআই সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০২৬ পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল, আত্মবিশ্বাসী ও মানবিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাথমিক শিক্ষায় সাংস্কৃতিক শিক্ষার পরিসর উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হবে। এ লক্ষ্যে ২০২৮ সাল থেকে নতুন কারিকুলামের আওতায় চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে বৃহৎ পরিসরে সাংস্কৃতিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন , সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার এবং প্রধানমন্ত্রী  তারেক রহমানের শিক্ষা-ভিশন বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষায় ধাপে ধাপে সাংস্কৃতিক শিক্ষা (Cultural Education) চালু করা হবে। এর মাধ্যমে এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তোলা হবে, যারা শুধু পাঠ্যবইভিত্তিক জ্ঞানেই নয়, বরং সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা, আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্ব ও মানবিক মূল্যবোধেও সমৃদ্ধ হবে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, আমরা এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই যেখানে শিক্ষকতা, বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষকতা, একটি সম্মানজনক ও আকাঙ্ক্ষিত পেশায় পরিণত হবে। শিক্ষকদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমেই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল করা সম্ভব।

প্রাথমিক শিক্ষকদের মর্যাদা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যিনি শ্রেণিকক্ষের পূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন, তিনি শুধু ‘সহকারী’ নন, তিনি একজন শিক্ষক। শিক্ষকের পরিচয় ও মর্যাদা তার দায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত।

এ সময় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মিজ শাহীনা ফেরদৌসী সহ মন্ত্রণালয় এবং অধিদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।