০৩ মে ২০২৬, ১৮:৩৯

প্রাথমিকে নিয়োগের অপেক্ষায় থাকা ১৪৩০০ জনের কাউকে বাদ দেওয়া হবে না: শিক্ষামন্ত্রী

কথা বলছেন শিক্ষামন্ত্রী  © সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদানের অপেক্ষায় থাকা ১৪ হাজার ৩০০ জন সহকারী শিক্ষকের কাউকে বাদ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের প্রথমদিন আজ রবিবার (৩ মে) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়াতনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এদিন সকালে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষকতা করার জন্য তাদের (সহকারী শিক্ষক) যে যোগ্যতার ভেতরে যেতে হয় এবং তাদের যে প্রস্তুতি সেখানে কোনো ঘাটতি আছে কিনা, সেটা আমরা দেখবো। তাদের যোগদানের পর আমরা পিটিআইতে (প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট) পাঠিয়ে দিব। সেখানে তারা ট্রেনিং নেবে এবং সেই জায়গায় যদি তারা ফেল করে তাহলে তারা তো শিক্ষক হতে পারবে না।

‘‘আর সরকারের বিধিতে যেটা রয়েছে যে, দুই বছরের মধ্যে যদি তারা সাকসেসফুলি চাকরি করতে পারে। তখন আমরা তাদেরকে চাকরি পারমানেন্ট করব। দেশের শিক্ষার ভালো জন্যই আমাদের সবকিছুই চিন্তা-ভাবনা। খারাপ ইন্টারেস্ট আমাদের নেই। আপনারাও তো চান সঠিক ব্যক্তিই শিক্ষার দিকে আসতে।’’

কতদিন লাগবে তাদের নিয়োগপত্র পেতে, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, নিয়োগ তো হয়েই গিয়েছে। এখন আমরা প্রসিডিউর মেনটেইন করছি। সচিব আছেন দেখি কয়দিন পরে ফাইলটা কোথায় যায়। আমি বলছি অতি শিগগির হবে। তবে অতি শিগগির বলতে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তো আর পসিবল না। 

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আমরা ১৪ হাজার ৩০০ জনের কাউকে বাদ দিচ্ছি না। যদিও নিয়োগটা তড়িঘড়ি করে করা হয়েছে।

এর আগে গতকাল শুক্রবার (১ মে) বিকালে চাঁদপুরের কচুয়া সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে উপজেলা পর্যায়ের প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন, সুপারিশপ্রাপ্ত প্রায় ১৪ হাজার ৩০০ সহকারী শিক্ষককে যোগদানে শর্তসাপেক্ষে খুব দ্রুত নিয়োগ দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেছিলেন, তড়িঘড়ি করে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা নেওয়ায় এ নিয়ে নানা প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে। তবে সবদিক বিবেচনা করে নিয়োগ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার।