জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই জামায়াত রাজনীতির সুযোগ পেয়েছে: ছাত্রদল সেক্রেটারি
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশে রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনীতি করার সুযোগ নিশ্চিত করেছিলেন। অথচ জামায়াতে ইসলামী এখন তাঁর সেই অবদান স্বীকার করছে না।
আজ শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) প্রাঙ্গণে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস এবং সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন।
নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, ১৯৭১ সালের পর বাংলাদেশের রাজনীতি, সমাজনীতি ও অর্থনীতি অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সংকুচিত করা হয়েছিল। সে সময় রক্ষীবাহিনী গঠন করে দেশের প্রচলিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সেনাবাহিনীকে কার্যত অকার্যকর করে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।১৯৭৫ সালের আগে দেশে নজিরবিহীন লুটপাট, দুর্নীতি, অর্থ পাচার ও অব্যবস্থাপনা চলছিল। এর ফলে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লব ছিল সেই পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিণতি। এর মধ্য দিয়ে একদলীয় বাকশাল ব্যবস্থার বিপরীতে বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথ তৈরি হয়।
জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক ইতিহাস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৯৭২ সালের সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ১৯৭৬ সালে ওই অনুচ্ছেদ বিলুপ্তির মাধ্যমে জিয়াউর রহমান ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনীতি করার সুযোগ তৈরি করেন। এর ধারাবাহিকতায় জামায়াতে ইসলামীও বাংলাদেশের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭৮ সালের ১১ আগস্ট জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন নেতা পাকিস্তানি পাসপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। পরবর্তী সময়ে ১৯৭৯ সালের ২৫ থেকে ২৭ মে জামায়াতে ইসলামী আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনৈতিক কার্যক্রম শুরু করে। অথচ বর্তমানে দলটি জিয়াউর রহমানের এই অবদান যথাযথভাবে স্বীকার করছে না। ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনীতি করার যে সুযোগ তিনি নিশ্চিত করেছিলেন, সেই সুযোগ নিয়েই জামায়াতে ইসলামী এখন রাজনীতি করছে বলে মন্তব্য করেন নাছির।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেননি; বরং দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা রক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষের অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করেছিলেন। নতুন প্রজন্মের কাছে ৭৫-পরবর্তী বাংলাদেশের ইতিহাস, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ইতিহাস তুলে ধরতে ছাত্রদলকে নিরলস ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, ‘৭ নভেম্বর একটি চেতনার নাম, প্রেরণার নাম।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে লড়াইয়ের যে ঐতিহ্য, ৭ নভেম্বরের চেতনার সঙ্গে তার মিল রয়েছে। এ কারণে দিবসটি উপলক্ষে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিকে যথার্থ স্থান বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় এ দেশের মানুষ এমন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিল, যেখানে কোনো অন্যায়, অত্যাচার ও নির্যাতন থাকবে না। দারিদ্র্য ও দুর্ভিক্ষ থেকে মুক্তি, গণতন্ত্র, বাক্স্বাধীনতা এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত হবে। বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে এমন প্রত্যাশা নিয়েই মুক্তিযোদ্ধারা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।স্বাধীনতার পরও দেশের মানুষের সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তাঁর অভিযোগ, দেশে দুর্ভিক্ষ, দারিদ্র্য, রাজনৈতিক দমন-পীড়ন ও বৈষম্য তৈরি হয়েছিল। মানুষের একদিকে খাবারের সংকট ছিল, অন্যদিকে ক্ষমতাসীনদের একটি অংশ বিলাসী জীবনযাপন করছিল। তিনি মুক্তিযুদ্ধের পর দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে নতুন করে সংকট তৈরির কথাও উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতাকারী কোনো দেশের ওপর বাংলাদেশের নির্ভরশীল হয়ে থাকা উচিত নয়। শহীদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন হওয়া একটি দেশের নিজস্ব শক্তি ও মেরুদণ্ড থাকতে হবে। ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে আবার নিজস্ব শক্তিতে দাঁড়ানোর আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
জিয়াউর রহমানের ভূমিকা তুলে ধরে বিএনপির এই নেতা বলেন, ১৯৭১ সালে যখন অনেকেই দেশের বাইরে চলে গিয়েছিলেন, তখন জিয়াউর রহমান নিজের স্ত্রী-সন্তানকে শত্রুপক্ষের নিয়ন্ত্রণে রেখে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। পরবর্তী সময়ে ৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে তিনি জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন।
জিয়াউর রহমানের শাসনামল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মাত্র সাড়ে তিন বছরে দেশের শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, কৃষি, অর্থনীতি ও রাজনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবর্তন এনেছিলেন তিনি। বক্তব্যের একপর্যায়ে অতীতের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থানের ঐতিহ্যের সঙ্গে ৭ নভেম্বরের চেতনার গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ২০০৬ সালের পর দীর্ঘ ২০ বছর এমন মুক্ত পরিবেশে ৭ নভেম্বর পালন করা সম্ভব হয়নি। ২০২৬ সালে এসে দিবসটি পালনের সুযোগ তৈরি হওয়ায় তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কণ্ঠে স্বাধীনতার ঘোষণা উচ্চারিত হয়েছিল। তাঁর ভাষায়, স্বাধীনতার ঘোষণা এবং মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জিত না হলে বাংলাদেশ বিশ্বমানচিত্রে স্থান পেত না। তবে স্বাধীনতা অর্জনের পরও দেশের মানুষ প্রত্যাশিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ভোগ করতে পারেনি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
উপাচার্য বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে দেশে দুর্ভিক্ষ, রক্ষীবাহিনীর অত্যাচার, হামলা-মামলা, জেল-জুলুম এবং বিরোধী মতের ওপর দমন-পীড়নের ঘটনা ঘটেছিল। ১৯৭৫ সালে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের রাজনৈতিক অধিকার ও কণ্ঠস্বর সংকুচিত করা হয়। সে সময় চারটি পত্রিকা ছাড়া অন্য সব সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৫ আগস্টের পর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছিল। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব টিকে থাকবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। ৩ নভেম্বরের পর সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে পাল্টাপাল্টি অভ্যুত্থান ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উদ্যোগ তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণা দিয়ে তিনি দেশের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও ভাষাগোষ্ঠীর মানুষকে একটি জাতীয় পরিচয়ের আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। পাশাপাশি ১৯ দফা কর্মসূচির মাধ্যমে উন্নয়ন, উৎপাদনমুখী রাজনীতি ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের ধারণা সামনে নিয়ে আসেন।
তিনি আরও বলেন, ৭ নভেম্বরকে শুধু একটি দিনের ঘটনা হিসেবে দেখলে হবে না; বরং স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে প্রতিটি মুহূর্তে স্মরণ করতে হবে। ‘বাংলাদেশ আমার, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই চেতনাকে ধারণ করে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি। পরে তিনি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস বলেন, ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য ও গুরুত্ব বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েই দায়িত্ব শেষ করেননি; বরং অস্ত্র হাতে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশের স্বাধীনতা অর্জনে ভূমিকা রেখেছিলেন।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর মাত্র চার বছরের ব্যবধানে দেশের মানুষের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা লুণ্ঠিত হয়েছিল। দুর্ভিক্ষসহ অর্থনীতি, সমাজনীতি ও রাজনীতিতে ভঙ্গুর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্রে আবির্ভূত হন।
গণেশ চন্দ্র রায় সাহস বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মানেই ৭ নভেম্বর, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মানেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক।’ তাঁর দাবি, জিয়াউর রহমানের সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমাজনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছিল। তিনি বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে একই রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছিলেন বলেও উল্লেখ করেন।
ছাত্রদলের এই নেতা বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানেও বিএনপি ও দলটির নেতৃত্ব রাজনৈতিকভাবে প্রাসঙ্গিক ছিল। তবে ৫ আগস্ট-পরবর্তী বাংলাদেশ নিয়ে মানুষের যে প্রত্যাশা ছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তার কিছু ক্ষেত্রে ব্যত্যয় ঘটেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ক্যাম্পাসে জিয়াউর রহমানের ছবি সংবলিত প্রচারসামগ্রী ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ তুলে গণেশ চন্দ্র রায় সাহস বলেন, ৭ নভেম্বর উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন এলাকায় এসব প্রচারসামগ্রী লাগানো হয়েছিল। পরে একাত্তর, পঁচাত্তর ও চব্বিশের পরাজিত শক্তি এক হয়ে সেগুলো ছিঁড়ে ফেলে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ছাত্রদল এ ঘটনার প্রতিবাদ করলেও তা গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিহত করেছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনো বাধা এলে ছাত্রদল তা নীরবে মেনে নেবে না। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের স্বার্থে সংগঠনটি অবস্থান অব্যাহত রাখবে।