‘আমার স্বামী খুব ভালো মানুষ, এখনও তার সঙ্গে যোগাযোগ হয়’—রনির ২য় স্ত্রী দাবি করা সেই নারী
সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনিকে ‘খুব ভালো মানুষ’ বলে উল্লেখ করেছেন তার স্ত্রী দাবি করা ফারজানা আফরোজ। তিনি বলেছেন, পারিবারিকসহ বিভিন্ন চাপে পড়ে রনি তার সম্পর্কে কিছু কথা বলতে বাধ্য হচ্ছেন। তাদের মধ্যে বর্তমানে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু না বললেও এখনও রনির সঙ্গে যোগাযোগ হয় বলে জানিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি গোলাম মাওলা রনির সঙ্গে বিয়ের কাবিননামা প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। এর মধ্যে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে ওই নারীকে তালাক দেওয়া এবং দেনমোহরের ১০ লাখ টাকা পরিশোধের কথা জানান রনি। পাশাপাশি ২০২৫ সালে করা একটি সাধারণ ডায়েরির (জিডি) কপিও প্রকাশ করেন তিনি।
রনির এসব বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে ফারজানা আফরোজ বলেন, ‘আমার স্বামী খুব ভালো মানুষ। আমি তো ওকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। উনি পারিবার থেকে বিভিন্নভাবে চাপে আছেন। যার কারণে এ ধরনের কথাগুলো বলতে বাধ্য হয়েছেন।’
বর্তমানে তাদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি ফারজানা। তবে তিনি জানিয়েছেন, এখনও গোলাম মাওলা রনির সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়।
এর আগে গত ৫ নভেম্বর ফারজানা আফরোজ রনির সঙ্গে বিয়ের একটি কাবিননামা প্রকাশ করেন। সেখানে ২০২২ সালের ১৩ মে তাদের বিয়ে হয়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে। ওই সময় তিনি দাবি করেন, রনি চট্টগ্রামে তাকে বিয়ে করেছিলেন এবং তার শাশুড়িও ছয়-সাত মাস তার সঙ্গে ছিলেন।
অন্যদিকে, রনি তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, ২০২২ সালের ৫ মে চট্টগ্রামের হোটেল রেডিসনে অবস্থানকালে ফারজানা ৯-১০ জনকে নিয়ে তার কক্ষে প্রবেশ করেন। পরে জ্ঞান ফেরার পর ওই নারী তাকে জানান, তাদের বিয়ে হয়েছে। এ ছাড়া ২০২৫ সালে নিউমার্কেট থানায় করা জিডির কপিতে তিনি ওই নারীকে ঘিরে বিভিন্ন ঘটনার বিবরণ তুলে ধরেন।
রনি আরও দাবি করেন, আইনজীবীদের পরামর্শে কথিত কাবিন অনুযায়ী ওই নারীকে তালাকের নোটিশ দেন এবং দেনমোহরের ১০ লাখ টাকা পরিশোধ করেন। তার ভাষ্য, তালাক কার্যকর ও রেজিস্ট্রি হওয়ার পর ওই নারী তার দাবিকৃত টাকা পেয়ে যান।