‘আম তারেক’ অন্তত হোটেলে নারী নিয়ে যাওয়া-পদ বাণিজ্য-চুমু শফিকের চেয়ে ভালো বিশেষণ
আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমানকে ‘আম তারেক’ নামে ডাকার বিষয়টিকে সম্মানের বলে মন্তব্য করেছেন তার স্ত্রী তামান্না ফেরদৌস শিখা। তিনি বলেছেন, তার স্বামীর বিরুদ্ধে হোটেলে নারী নিয়ে যাওয়া, নিয়োগ ও পদ বাণিজ্য কিংবা বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের মতো কোনো কেলেঙ্কারি নেই। এমনকি ‘চুমু শফিকের’ মতো কোনো বিশেষণও তার স্বামীর সঙ্গে যুক্ত নেই।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) স্বামীকে স্বাগত জানাতে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তামান্না ফেরদৌস শিখা।
তিনি বলেন, আমার হাজবেন্ডকে ‘আম তারেক’ বলে ডাকে এটা আমার কাছে অনেক বেশি সম্মানের। আমার হাজবেন্ডকে অসৎ কোনো বিষয়ে বিশেষণ দেওয়া হচ্ছে না, পদ বাণিজ্য করে সেই বিশেষণ দেওয়া হচ্ছে না। আমার হাজবেন্ডের বিরুদ্ধে হোটেলে নারী নিয়ে যাওয়ার মতো কোনো কেলেঙ্কারি নেই, নিয়োগ বাণিজ্যের কেলেঙ্কারি নেই, পদ বাণিজ্যের কেলেঙ্কারি নেই, স্কুলের টাকা মেরে খাওয়ার কেলেঙ্কারি নেই, কোনো প্রকল্পের টাকা মেরে খাওয়ার কেলেঙ্কারি নেই।
এছাড়াও রাস্তার টাকা আত্মসাতের কেলেঙ্কারি নেই, ওয়াসার এমডিকে নিয়োগ দিয়ে বসানোর কেলেঙ্কারি নেই, ডিসিকে বসানোর কেলেঙ্কারি নেই, নীলা মার্কেটের কেলেঙ্কারি নেই। সবকিছু মিলিয়ে দেখেন, সবচেয়ে বড় কথা, ‘চুমু শফিকের’ মতো কোনো বিশেষণ আমার ‘আম তারেকের’ সঙ্গে নেই।
এর আগে গত সোমবার জাপানের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে চার দিনের সফরে জাপান যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তার সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল। একই সফরে যান আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান।
চার দিনের সফর শেষে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা ৪৮ মিনিটে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সফরসঙ্গীরা। প্রধানমন্ত্রী, তার সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।