মুজিব কর্ণারকে মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই কর্ণারে রূপান্তরের দাবি সংসদে
দেশের সরকারি-বেসরকারি পাঠাগার ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থাপিত মুজিব কর্ণারকে মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই কর্ণারে রূপান্তরের দাবি জানিয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি মারদিয়া মমতাজ।
আজ সোমবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের ৬ষ্ঠ কার্যদিবসে সম্পূরক এক প্রশ্নে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর কাছে এ দাবি জানান তিনি।
এমপি মারদিয়া মমতাজ বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে সোয়া ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে মুজিব কর্নার স্থাপিত হয়েছিল। ২৪-এর জুলাই গণঅভ্যূত্থানের পরে এই সংক্রান্ত নোটিশ বা হেডিংগুলো সরিয়ে নেয়া হয়। কিন্তু পাঠাগার সেখানেই অরক্ষিত অবস্থায় আছে। এর মধ্যে ৬৫ হাজার ৭০০ কপি আমি পত্রিকায় পেয়েছি। আটটি বই দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর প্রিয় খাবার ইত্যাদি ইত্যাদি বই।
তিনি বলেন, সংস্কৃতি মন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন, এই লাইব্রেরিগুলোকে যদি সংস্কারের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ এবং জুলাই কর্নারে রূপান্তরিত করা হয়, তাহলে এটি বাংলাদেশের মানুষের জন্য সুদূরপ্রসারী কল্যাণের কাজ হতে পারে। এ ব্যাপারে কোন চিন্তা আছে কিনা?
মারদিয়া মমতাজের প্রশ্নের জবাবে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘আমি অনুরোধ করব, লাইব্রেরি বা পাঠাগারগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে আমাকে বা দপ্তরে লেটারের মাধ্যমে দিলে, আমরা আলোচনা করে একটা ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
তিনি বলেন, ‘পাবলিক লাইব্রেরিগুলো জেলা-উপজেলা পর্যায়ে বিস্তৃত রয়েছে। বেসরকারি লাইব্রেরি বা পাঠাগারগুলো গ্রাম পর্যন্তও বিস্তৃত রয়েছে। তাই তালিকা করে আমাকে একটি নোটিশ বা সংসদে একটি সম্পূরক প্রশ্ন করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’