০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৪

বিরোধী দলের লংমার্চের কারণে কোটি কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় ক্ষতির অভিযোগ রাশেদ খানের

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান  © সংগৃহীত

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের কারণে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকার অপূরণীয় ক্ষতি হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খান। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

গণঅধিকার পরিষদের সাবেক এই সাধারণ সম্পাদক ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, বিরোধী দলের নেতাদের মুখে স্পষ্ট হতাশার ছাপ দেখা যাচ্ছে এবং জামায়াত ঘোষিত এই লংমার্চে দলের নেতাকর্মীদের বাইরে সাধারণ মানুষের কোনো আগ্রহ বা অংশগ্রহণ নেই। রাস্তায় জনস্রোত নামবে কিংবা জনসমুদ্রের কারণে জামায়াতের আমিরের গাড়ি যেতে পারবে না বলে তারা ধারণা করলেও, দেশি-বিদেশি প্রচুর বিনিয়োগ সত্ত্বেও জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট (যেখান থেকে পরবর্তীতে ২ দল জোট ছেড়ে চলে গেছে) সাধারণ মানুষকে রাজপথে টানতে ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি আরও লেখেন যে, দেশের সাধারণ জনগণ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গ্যাস সংক্রান্ত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংকট সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন। দীর্ঘ ১৮ থেকে ২০ বছরের পুরনো অব্যবস্থাপনা, সমস্যা ও সংকটের দায় মাত্র ৬ মাসের নতুন সরকারের ওপর চাপানোর চেষ্টাকে তিনি ‘মূর্খতা’ হিসেবে অভিহিত করেন। রাশেদ খান দাবি করেন, সরকার গণভোটে স্বাক্ষরিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, ফলে বিরোধী দলের উত্থাপিত ৬ দফা দাবির প্রতি জনগণের বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই।

তিনি লেখেন, এভাবে রাস্তাঘাট বন্ধ রেখে এবং ১ লাখ লিটার তেলের অপচয় ঘটানোর কারণে দেশের বিদ্যমান জ্বালানি সংকট ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বহুগুণ বাড়ছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াতকারী হাজার হাজার যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন এই লংমার্চের কারণে পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।প্রধান অর্থনৈতিক করিডোরে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার ফলে রাষ্ট্রের সরাসরি কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ও বাণিজ্যিক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

পোস্টের শেষে রাশেদ খান অভিযোগ করেন, সম্পূর্ণ রাজনৈতিক দলীয় স্বার্থ হাসিলে এবং মিথ্যাচার ও প্রতারণাকে পুঁজি করে বিরোধী জোট জনগণের ওপর একপ্রকার জোরপূর্বক ‘লংমার্চ’ নামক কর্মসূচি চাপিয়ে দিয়েছে।