০৬ আগস্ট ২০২৬, ২১:১১

দেশের তেইশতম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে বিএনপিতে চলছে নানা সমীকরণ

দেশের তেইশতম সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হতে এগিয়ে বিশিষ্টজনরা  © টিডিসি ফটো

দেশের তেইশতম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিতে চলছে নানান সমীকরণ। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে বিভিন্ন বিষয় ভেবে-চিন্তে অগ্রসর হতে চায় দলটি। দেশের সাংবিধানিক সর্বোচ্চ পদ রাষ্ট্রপতি হিসেবে যাদের নাম আলোচনায় রয়েছে, অতীতে দল ও দেশের জন্য তাদের ভূমিকা, অভিজ্ঞতা, দেশ-বিদেশে নিজস্ব গ্রহণযোগ্যতা ও পরিচিতি, ব্যক্তিত্ব, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা, সরকার ও দলের সাংগঠনিক ভারসাম্য এবং ভবিষ্যতের সম্ভাব্য রাজনৈতিক ঝুঁকি, সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে জাতীয় এই গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রার্থী বাছাইয়ে আগের চেয়ে এবার অত্যন্ত ‘সচেতনভাবে সতর্ক’ অবস্থান নিয়েছে ক্ষমতাসীন দলটি। 

গত শনিবার (১ আগস্ট) বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রাষ্ট্রপতি ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।। তবে অতীতের রেওয়াজ বা ধারাবাহিকতায় এবারও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের একক ক্ষমতা দেয়া হয়েছে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর। তিনি অনেকগুলো সমীকরণ মাথায় রেখে সব দিক বিবেচনায় নিয়ে যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকেই রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় মনোনয়ন দেবেন। 

সূত্র মতে, গত ২৪ জুলাই স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। 

এদিকে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা হাতে পেয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়। ইসির অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদ সচিবালয় এ তালিকা সরবরাহ করেছে বলে জানিয়েছে ইসি। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ আগস্ট। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব বলেন, ভোটার তালিকা পাওয়ার পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পরবর্তী প্রক্রিয়া হিসেবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১৩ আগস্ট মনোনয়ন জমাদানের শেষ দিন। যাচাইবাছাই ১৬ আগস্ট ও মনোনয়ন প্রত্যাহার করা যাবে ১৮ পর্যন্ত। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ আগস্ট।

এর আগে, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছিলেন, সেপ্টেম্বর মাসে জাতীয় সংসদের নিয়মিত অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পাশাপাশি জুলাই সনদ ও সংবিধান সংশোধনকে সামনে রেখে এই নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনাও সরকারের উচ্চপর্যায়ে রয়েছে।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী মনে করেন, জাতীয় স্বার্থে এমন একজনকে রাষ্ট্রপতি করা প্রয়োজন, যিনি কেবল দলীয় আনুগত্য নয়, সাংবিধানিক নিরপেক্ষতা ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের সক্ষমতার জন্যও সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য।

বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, দলের সিনিয়র নেতা, আন্তর্জাতিক মহলেও ব্যাপক পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা আছে এমন কেউই হতে যাচ্ছেন দেশের পরবর্তী অর্থাৎ দেশের তেইশতম রাষ্ট্রপতি। আর গুরুত্বপূর্ণ এই সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘একক সিদ্ধান্তে’র উপরই। অতীতেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল বিএনপির তৎকালীন চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাতে। 

স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য জানান, শনিবার স্থায়ী কমিটির বৈঠকে অন্যান্য ইস্যুর সঙ্গে মূলত রাষ্ট্রপতি ইস্যু নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা হয়। তবে বৈঠকে রাষ্ট্রপতি কে হবেন বা হচ্ছেন তা চূড়ান্ত হয়নি। সেখানে কাকে রাষ্ট্রপতি মনোনয়ন দেয়া যায় সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা দলের চেয়ারম্যানের ওপরই ন্যস্ত করা হয়েছে। 

অনেকেই ভাবছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চমক ধরে রেখেছিলেন তারেক রহমান। তেমনি রাষ্ট্রপতি মনোনয়নেও তিনি চমক দেখাবেন। 

বিএনপি সূত্র বলছে, মর্যাদাপূর্ণ এ পদের জন্য দলের পরীক্ষিত, ত্যাগী ও বিশ্বস্ত নেতাদেরই অগ্রাধিকার ও বিবেচনায় নেয়া হচ্ছে। আলোচনায় সবচেয়ে বেশি রয়েছে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম। মির্জা ফখরুল সরাসরি রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিজের প্রার্থীতার বিষয়ে মুখ না খুললেও ওই পদে আগ্রহী হিসেবে ঘনিষ্ঠজনদের কাছে প্রকাশ করছেন। 

মহাসচিবের বাইরে দলের স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খানের নামও আলোচনায় আছে। আলোচনায় আছে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুকের নামও। ড. ফারুকের পরিবারও আন্তর্জাতিক বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ট সম্পর্কযুক্ত পরিবার। 

আর সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের নাম। দেশের মানুষ ও রাজনীতিতে মেজর হাফিজ নামে অতি পরিচিত বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। খ্যাতিমান ফুটবলার, এ্যাথলেটস ও বিশ্ব ফুটবল অঙ্গনেও অতি পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য সংগঠক। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর সদ্য স্বাধীন দেশের সেনাবাহিনীর ফাউন্ডার সদস্যদের মধ্যেও তিনি অন্যতম। সেনাবাহিনীর প্রতিষ্ঠাকালীন সিনিয়র অফিসার হিসেবে তিনি এখনও সেনাবাহিনীর কাছে সম্মানিত ও গ্রহণযোগ্য মানুষ।  

দলীয় নেতাদের বাইরে কিছু মহলে রাষ্ট্রপতি হিসেবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সদ্য অবসরে যাওয়া প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামেনেস্টি ইন্টারন্যাশনালে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনকারী বর্তমানে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খানের মতো প্রভাবশালী নারীর নামও আলোচনা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানিয়েছে, মন্ত্রিসভার মতো পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন তা হয়তো আগে থেকেই ঠিক করে রেখেছেন তারেক রহমান। তবে আলোচনায় যাদের নাম রয়েছে, তাদের মধ্য থেকে রাষ্ট্রপতি করা হলে এক্ষেত্রে দলের মধ্যেও সাংগঠনিক কিছু পরিবর্তন ঘটাতে হবে। যেমন দলের মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি করা হলে সে ক্ষেত্রে মহাসচিব পদটি শূন্য হয়ে যাবে। সেখানে কাকে মনোনয়ন দেয়া হবে, এখনই কাউন্সিল করে সেটি সম্ভব কি-না, নাকি অন্য কোনোভাবে ভারপ্রাপ্ত কাউকে মহাসচিব করা হতে পারে, বা দলে একজনকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব না করে অঞ্চলভিত্তিক কয়েকজনকে আপাতত দায়িত্ব দেয়া হতে পারে, এসব নিয়ে নানা চূলচেরা বিশ্লেষণ চলছে।

এছাড়া সরকারে একসঙ্গে কয়েকটি পরিবর্তন আনতে হবে। তাকে স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়তে হবে। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলে সংবিধান অনুযায়ী তাঁর ঠাকুরগাঁও-১ আসনও শূন্য হবে। সরকারের মেয়াদের শুরুর দিকেই দল, মন্ত্রিসভা ও সংসদীয় আসনে এই পুনর্বিন্যাস করা হবে কি না, সেটিও বিএনপির সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনার বিষয় হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

জানা যায়, দলীয় প্রার্থী বেছে নেয়ার ক্ষেত্রে মির্জা ফখরুলের পক্ষে যুক্তি হিসেবে উঠে আসছে যে, তিনি এক যুগের বেশি সময় ধরে মহাসচিবের দায়িত্ব পালন, আওয়ামী লীগ সরকারের নির্যাতন-নিপীড়নের কঠিন সময়ে বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ রাখা, তার রাজনৈতিক ভাবমূর্তি এবং দলের বাইরেও তার গ্রহণযোগ্যতা। অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুলসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ইতিমধ্যে তাকে রাষ্ট্রপতি পদে ‘সেরা প্রার্থী’ বলে প্রকাশ্যে মত দিয়েছেন। দেশীয় রাজনীতিতে মির্জা ফখরুল একজন পরিচ্ছন্ন, মার্জিত এবং ‘সজ্জন ব্যক্তি’ হিসেবে পরিচিত ও সমাদৃত।

রাষ্ট্রপতি পদে আলোচিত নামগুলোর একটি ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। দলের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে তিনি জ্যেষ্ঠতম নেতা। বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। কুমিল্লা-১ আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া এই নেতা নানা রাজনৈতিক সংকটেও দল ছাড়েননি কিংবা বিভক্তির ঝুঁকি নেননি। জিয়াউর রহমান ও দীর্ঘকালীন চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতার পাশাপাশি অতীতে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন একাধিক মন্ত্রণালয়ে। দলীয় নেতাদের একটি অংশ মনে করেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গ্রহণযোগ্যতা এবং সক্রিয় সংসদীয় ভূমিকার কারণে রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি শক্তিশালী প্রার্থী হতে পারেন। অতীতেও বিএনপি সরকার গঠন করলে তাকে রাষ্ট্রপতি করা হতে পারে, এমন আলোচনা প্রকাশ্যে এসেছিল। 

রাষ্ট্রপতি পদে বেশ আলোচনায় রয়েছেন এমন একজন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ প্রতিবেদককে জানান, স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নিয়ে আলোচনা হলেও সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি। দলের চেয়ারম্যানই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। রাষ্ট্রপতি পদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতিতে আছি। দল যেখানে যে দায়িত্ব দিয়েছে তা পালন করার চেষ্টা করেছি। দল ও দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো কাজ করিনি। দল দায়িত্ব দিলে অবশ্যই রাষ্ট্রপতি পদের মর্যাদা রাখবো ইনশাআল্লাহ।

দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকের পর পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে দলের সিদ্ধান্ত জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আগামীতে দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি কে হবেন, তিনি বিএনপির দলীয় নাকি বাইরের কেউ, তা নির্ধারণ করা হবে, সে বিষয়ে দলের নীতিনির্ধারণী ফোরামের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। সংবিধান ও প্রয়োজনীয় আইন মেনে দলের চেয়ারম্যানই এ বিষয়ে চূড়ান্ত নেবেন। স্থায়ী কমিটি বৈঠকে সেই ক্ষমতা চেয়ারম্যানের ওপর ন্যস্ত করেছে। 

সরকার ও বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করার জন্য সংবিধান সংশোধনের বিষয়টিও জড়িত রয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরে সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে সংবিধানের অষ্টাদশ সংশোধনী বিল আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। সেখানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্যসহ জুলাই জাতীয় সনদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব যুক্ত হতে পারে। সে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও দায়িত্বে কোনো পরিবর্তন আসছে কি না, সেটি স্পষ্ট হওয়ার পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা যুক্তিযুক্ত হবে। বিএনপির নীতিনির্ধারণে ভূমিকা রাখেন, দলের এমন চিন্তাশীল নেতারা মনে করছেন, সংবিধানের সংশোধনীতে রাষ্ট্রপতির বিদ্যমান আলংকারিক পদের তুলনায় তার ক্ষমতা ও দায়িত্ব বাড়লে প্রার্থী বাছাইয়ের বিবেচনাও বদলে যাবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সব মহলে জল্পনা-কল্পনা যাই থাকুক আপাতত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গ্রিন সিগন্যালের অপেক্ষা করতে হবে নতুন রাষ্ট্রপতির নাম জানতে।