০৩ জুলাই ২০২৬, ১৬:৩২

বিএনপি কর্মীর মেয়েকে ‘তুলে’ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতির বিরুদ্ধে

ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি বর্ষণ হোসেন  © সংগৃহীত

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় বিএনপি কর্মী ও একটি মাদ্রাসা শিক্ষকের মেয়েকে (১৫) তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে বন্দবিলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি বর্ষণ হোসেনের বিরুদ্ধে। গতকাল বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে স্থানীয় খাজুরা বাজারে এই ঘটনা ঘটে। তবে ছাত্রদল সভাপতির পরিবারের দাবি, প্রেমের সম্পর্কের জেরে তারা পালিয়েছেন।

মেয়েটি এ বছর স্থানীয় একটি স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। তার বাবা বিএনপি কর্মী ও খাজুরা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক। তাদের বাড়ি খাজুরা বাজার সংলগ্ন মথুরাপুর গ্রামে। আর অভিযুক্ত ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি বর্ষণ হোসেন পার্শ্ববর্তী ধান্যপুড়া গ্রামের আলাউদ্দিন মেম্বারের ছেলে। আলাউদ্দিন ওই ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য।

কিশোরীর বাবা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আমার মেয়েকে জোর করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারা এখন চাচ্ছে মিউচুয়াল করতে। আমিও মিউচুয়াল করতে চাই। তবে এখনও শিউর না। তারা বিয়ে দিতে চাচ্ছে, আমি এখন বিয়ে দিব না। আমার মেয়ের বয়স হয়নি এখনও, ও আন্ডারএজড। কেবল এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে, উপযুক্ত বয়স হয়নি।

তিনি বলেন, আমরা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছি। পুলিশের কাছে যাওয়ার পরে ছেলেপক্ষ আমাদের আশ্বস্ত করেছে যে অল্প সময়ের মধ্যে আমার মেয়েকে হাজির করবে। কিন্তু আমাদের সামাজিকতা আছে, শিক্ষকতা করি, সম্মান আছে। ফলে বিষয়টা যদি ওরা অন্যদিকে নেয়, তাহলে আমি অন্য পদক্ষেপ নিব।

ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি বর্ষণ হোসেনের ভাই বখতিয়ার উদ্দিন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, তারা প্রেমের সম্পর্কের জেরে পালিয়েছে। কোনো পরিবারই তাদের সম্পর্ক মেনে নিতে রাজি ছিল না। এখন দুই পরিবারের সদস্যরা বিষয়টির সমাধানের জন্য বসেছে।

ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি ও ওই কিশোরী বাড়ি ফিরে এসেছেন বলেও দাবি করেছেন বখতিয়ার উদ্দিন। তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই দাবি মিথ্যা।

থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজালাল আলম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, এ ধরনের কোনো অভিযোগ থানায় আসেনি। তবে ওখানে একটি ফাঁড়ি আছে। সেখানে কোনো অভিযোগ থাকতে পারে। আমরা খোঁজ নিয়ে দেখব।