‘মাই ম্যান’, নিষ্ক্রিয় নেতা, অচেনা মুখ ও অভিযুক্তদের পদায়ন ঘিরে বিতর্ক
‘সুপার ফাইভ’ কমিটি ঘোষণার প্রায় বছর দুয়েক পর অবশেষে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেছে বিএনপির অঙ্গ সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদল। গত ৪ জুন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে যুবদলের ১৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
পদ প্রত্যাশী নেতাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ও আকাঙ্খিত এই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার পর থেকেই খোদ সংগঠনের ভেতরেই ক্ষোভ, প্রতিবাদ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ও গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের সামনে পদবঞ্চিত ও বিক্ষুব্ধ নেতারা ইতোমধ্যে একাধিক অবস্থান ও বিক্ষোভ প্রদর্শনী কর্মসূচিও পালন করেছেন।
সর্বশেষ সোমবার (২২ জুন) যুবদলের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে ধরে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, যিনি দলটির দপ্তরের দায়িত্বেও নিয়োজিত রুহুল কবির রিজভী আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পদবঞ্চিত ও ক্ষুব্ধ নেতারা যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি পূণর্গঠনের জন্য তার সহযোগিতা কামনা করেন। প্রধানমন্ত্রীর শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা রিজভী আহমেদের ধানমন্ডির বাসভবনে দেখা এ অভিযোগ জানান তারা। রিজভী আহমেদ বিএনপির পক্ষ থেকে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ‘সিগনেটরি পাওয়ার’ সম্পন্ন নেতা।
‘মাইম্যান’ বা পকেট কমিটি: অভিযোগ উঠেছে, যুবদলের ঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বা অনুগত ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়েছে। বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী শাসনামলে ও তারও আগে ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দিনের ‘বিশেষ সরকারে’র সময় মাঠের ত্যাগ, সিনিয়রদের অবমূল্যায়ন করে জুনিয়রদের উচ্চপদ ও সাংগঠনিক দক্ষতাকে গুরুত্ব না দিয়ে ‘ব্যক্তিগত লবিং’ প্রধান যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে বলে ক্ষুব্ধরা দাবি ও অভিযোগ করছেন।
আমরা অত্যন্ত সুচিন্তিতভাবে যাছাই-বাছাই করে বিগত সময়ে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে যেসব নেতা ভূমিকা রেখেছেন, নির্যাতন সয়েছেন, জেল-জুলুম সহ্য করেছেন এবং যোগ্যতা অনুযায়ী তাদের পদায়ন করা হয়েছে। এরপর হাইকমান্ড সেই কমিটি অনুমোদন করেছেন।— আবদুল মোনায়েম মুন্না, কেন্দ্রীয় সভাপতি, যুবদল
নিষ্ক্রিয় ও ‘অচেনা’ মুখের পদায়ন: বিগত দিনের আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে যাদের ভূমিকা ছিল না, কিংবা যারা এতদিন নিষ্ক্রিয় ছিলেন, এমন কিছু অনিয়মিত ব্যক্তি ও অচেনা মুখ বড় পদ পেয়েছেন। বেশকিছু সুনির্দিষ্ট পদ প্রাপ্ত ‘ভাগ্যবান’ নেতাদের নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম বিতর্ক ও প্রশ্ন। হত্যা মামলা বা অন্যান্য গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত বা বিতর্কিত চরিত্রদের কমিটিতে স্থান দেওয়ার অভিযোগও করছেন পদবঞ্চিতরা।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যারা বছরের পর বছর জেল-জুলুম, হুলিয়া ও একাধিক রাজনৈতিক মামলার শিকার হয়েছেন, তাদের এই কমিটিতে পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এছাড়া, সাবেক ছাত্রদল নেতারা যারা যুবদলের পদপ্রত্যাশী ছিলেন, তাদেরও কোনো মূল্যায়ন করা হয়নি বলে বিগত কমিটিগুলোর সাবেক ছাত্রনেতারা অভিযোগ তুলেছেন। এই ধরনের বঞ্চনা যুবদলের মতো একটি ফ্রন্টলাইনার সংগঠনের তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তি ও কর্মীদের মনোবল দুর্বল করে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে। পাশাপাশি দলের দূর্দিনে বিএনপি ডেডিকেটেট নেতাকর্মী হারাবে ও সেসব নেতারা সংগঠন থেকে অভিমানে মুখ গুটিয়ে নিতে পারেন বলেও মন্তব্য অনেকের।
যেসব নেতাদের নিয়ে পদবঞ্চিত নেতা ও সাধারণ কর্মীদের মধ্যে তীব্র প্রতিবাদ উঠেছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন-সহসভাপতি রফিক আহম্মেদ ডলার। ১/১১’র ক্রান্তিকাল থেকে বিগত ১৭ বছরের বিরোধীদলের মিছিল মিটিং বা রাজনৈতিকভাবে ছিলেন নিষ্ক্রিয়। বরং অভিযোগ আছে তিনি ২০০৭ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সঙ্গে মিশে ব্যবসা বানিজ্য করেছেন।
ঘোষিত কমিটির সহসভাপতি ফিরোজ আব্দুল্লাহ। গ্রামের বাড়ি বরগুনা জেলার পাথরঘাটা থানার নাচনাপাড়া ইউনিয়নে। কখনোই রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন না। ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গেও জড়িত ছিলেন না বলে জানা যায়। সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়নের ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠ লোক হিসেবে বর্তমান কমিটিতে তাকে সহসভাপতি করা হয়েছে বলে পদবঞ্চিতদের অভিযোগ। সহ-সভাপতি মাহমুদুস সালেহীন। ছিলেন বিগত টুকু মুন্না কমিটির সদস্য। যুবদলের বর্তমান রাজনীতিতে তাকে কেউ চিনে না। বিগত সময়ে যুবদলের রাজনীতিতে তাকে দেখা যায়নি। নওগাঁর অপরিচিত একজন ব্যক্তিকে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহসভাপতির মত পদে পদায়ন করা হয়েছে বলে পদবঞ্চিতরা অভিযোগ করছেন।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান। ঢাবির সাবেক ছাত্রনেতা। আন্দোলন সংগ্রামে অনুপস্থিতির পাশাপাশি ঢাকার আদালত পাড়ায় সনদবিহীন একজন ‘ভূয়া আইনজীবী’ বলে অভিযোগ রয়েছে। বিগত টুকু-মুন্না কমিটিতে সহসাধারণ সম্পাদককের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেও দল ঘোষিত কোন কর্মসূচীতে তার অংশগ্রহণ ছিল না। বরং আন্দোলনের সময় আত্মগোপনে থেকে মোবাইলে দলীয় নেতাকর্মীদের বলতেন শেখ হাসিনা বেঁচে থাকতে বিএনপি আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না বলে অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। আন্দোলনে অংশগ্রহণে নিরুৎসাহিত করতেন। রাজনীতি না করেও যুবদলের ০২ নং যুগ্ম সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে তাকে পদায়ন করা হয়েছে।
যুগ্ম সম্পাদক মনিরুল ইসলাম সোহাগ। ঢাবির এসএম হলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। ছাত্রদল টুকু-আলীম কমিটির পর জুয়েল-হাবীব কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। মূলত টুকু-আলীম কমিটির সময়কাল থেকে সে রাজনীতি ছেড়ে দেয়। পরবর্তীতে প্রায় ১৩ বছর রাজনীতিতে সম্পৃক্ত ছিলেন না বলে অভিযোগ। একজন নিষ্ক্রিয় নেতাকে প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ৮ সিটিতে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী হচ্ছেন যারা
যুগ্ম সম্পাদক মঈনদ্দিন রুবেল। প্রকৃত নাম মঈন আলদীন বিন নাসির। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কামাল-শান্ত কমিটির সহ-সভাপতি ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হত্যার অভিযোগে বহিষ্কৃত। বিগত আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে তাকে দেখা যায়নি বলে অভিযোগ। এমন একজন নিস্ক্রিয় ব্যক্তিকে কমিটির যুগ্ম সম্পাদকের মত বড় পদে পদায়ন করা হয়েছে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানার জন্য দুইদিন রুবেলের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি এই প্রতিবেদকের ফোনকল রিসিভ করেননি।
যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, সেতো (রুবেল) আগের কমিটিতেও পদধারী নেতা ছিল। তবে তার বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার হয়েছিল কীনা, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে জানতে পারব। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম মিলন। যুবদল সভাপতির বন্ধু এবং আবুজর গিফারী কলেজের সহপাঠী। কলেজ জীবনে ছাত্রদল করলেও পরবর্তীকালে রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে।
আপনি স্পেসিফিক কয়েকজন সম্পর্কে তথ্য জানালেন। বিষয়গুলো নিয়ে আমি আমাদের সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে আলোচনা করব এবং বিষয়গুলো যাছাই করব। এতে যদি সঠিক তথ্য উঠে আসে, সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।— আবদুল মোনায়েম মুন্না, কেন্দ্রীয় সভাপতি, যুবদল
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জোহা সুমন বিরুদ্ধে অভিযোগ তার গ্রামের বাড়ি মাগুড়া। তিনি শেখ হাসিনার পিএস সাইফুজ্জামান শেখরের আত্মীয় এবং তার মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট আমলে ঢাবির ক্যাম্পাসের ক্যাফে-ডিইউ এবং হাইকোর্ট এ দুটিসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্যান্টিনের ব্যবসা চালিয়েছেন। জিয়া পরিবার ও খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানকে নিয়ে নানা কটু কথাও বলতেন। ২০২৪’র গণআন্দোলনের অক্টোবর মাসে মালয়েশিয়া, সিংগাপুর ও থাইল্যান্ড সফরে পরিবারসহ ফেইসবুকে পোস্ট দেন এবং সবাইকে আন্দোলনে না থাকার পরামর্শ দিতেন। তার একটা কমন ডায়ালগ ‘টাকা থাকলে এই দলে পদ পাওয়া যায়, রাজপথে থাকা লাগে না’। আবারও পদ পেয়েছেন।
জিয়াউর রহমান জিয়া ধানমন্ডি থানা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওয়ারেস আহমেদের হত্যা মামলার আসামী হিসেবে কয়েক বছর পলাতক থেকে পরে জেলও খেটেছেন। এমন গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্তকে এক নং সহ-সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ প্রাপ্তিতে নেতাকর্মীরা হতাশা প্রকাশ করেছেন। যদিও এই বিষয়ে জানতে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেন নি।
এছাড়াও নেতাকর্মীদের কাছে অপরিচিত ৬০ উর্ধ বয়সী এনএম আব্দুল্লাহ উজ্জ্বল সহ সাধারণ সম্পাদক,নিষ্ক্রিয় রাহাদুল আলম খান সহ সাধারণ সম্পাদক, নিষ্ক্রিয় খন্দকার মাইনউদ্দিন খোকন সহ সাধারণ সম্পাদক, নিষ্ক্রিয় মাহবুবর রহমান পলাশ সহ সাধারণ সম্পাদক, রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় কসমেটিক ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান সহ সাধারণ সম্পাদক, সহ সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মেহেদী হাসান জুয়েল।
অপরিচিত সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদুল হক, গত ২০ বছর রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় শাহাবুদ্দিন মুন্না সহ সাধারণ সম্পাদক, জামায়াত পরিবারের মো. মাসুদুল হক মাসুদ সহ সাধারণ সম্পাদক, ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার সাইদুর রহমান শামীম সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, ঢাকার শ্যামলীর গার্মেন্টসে ২০১২ সাল থেকে চাকুরীজীবী আরিফুর রহমান সোহেল সহসাংগঠনিক সম্পাদক, নিষ্ক্রিয় মো. রাশেদুল ইসলাম রিপন সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, বিএনপির অ-অনুমোদিত ভূঁইফোর সংগঠন জাতীয়তাবাদী তরুণ দল থেকে আসা তারেকুর রহমান সহ প্রচার সম্পাদক, অ্যাড. তানভীর হাসান সোহেল আইন সম্পাদক, কখনও রাজনীতি না করা মো. মেজবাউদ্দিন মেজু ক্রীড়া সম্পাদক ইমরান আহমেদ প্রিন্স তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক।
এছাড়াও ডা. গালিব হাসান স্বাস্থ্য সম্পাদক, নিষ্ক্রিয় ডা. মাহমুদুল হাসান সুমন সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক, ডা. আল মামুন হাসান খান এমিল সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক, হেদায়েত হোসেন ভূইয়া পাঠাগার সম্পাদক, সাংগঠনিক রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় আমিনুল ইসলাম খান সহসাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদায় সদস্য, অপরিচিত আবদুল্লাহ আল কাফি সাহেদ সদস্য, মাহমুদুল করিম সজল সদস্য, সাংগঠনিকভাবে অপরিচিত সালাউদ্দিন শাহীন সদস্য, অপরিচিত মো. ইমরান হোসেন শাহীন সদস্য, অপরিচিত ফখরুল বিন খালেক সদস্য-এসব নেতাদের নিয়ে কমিটির ভেতর ও বাইরে বিভিন্ন অভিযোগ, সমালোচনা এবং ক্ষোভ শোনা যাচ্ছে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, যারা নিজেদের পদবঞ্চিত দাবি করছেন, তাদের দাবির কোনো ভিত্তি নেই। কারণ পদে থেকে আবার সেখান থেকে তাকে বঞ্চিত করলেই না পদবঞ্চিত হয়।
তিনি বলেন, আমরা অত্যন্ত সুচিন্তিতভাবে যাছাই-বাছাই করে বিগত সময়ে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে যেসব নেতা ভূমিকা রেখেছেন, নির্যাতন সয়েছেন, জেল-জুলুম সহ্য করেছেন এবং যোগ্যতা অনুযায়ী তাদের পদায়ন করা হয়েছে। এরপর হাইকমান্ড সেই কমিটি অনুমোদন করেছেন।
মোনায়েম মুন্না আরও বলেন, আপনি স্পেসিফিক কয়েকজন সম্পর্কে তথ্য জানালেন। বিষয়গুলো নিয়ে আমি আমাদের সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে আলোচনা করব এবং বিষয়গুলো যাছাই করব। এতে যদি সঠিক তথ্য উঠে আসে, সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।