০৯ জুন ২০২৬, ১৪:৩৮

শর্ত মেনে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা

ডা. জাহেদ উর রহমান  © সংগৃহীত

নির্বাচনসংক্রান্ত শর্তাবলি পূরণ করতে পারলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অংশ নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা জানান।

যদি নির্বাচনে আসা কারও আওয়ামী লীগের দলীয় পদ-পদবি থাকে তাহলে কি হবে? এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের পোস্ট পজিশন... আসলে যেটা হয় আরকি, সংগঠনের কর্মসূচি যেহেতু নিষিদ্ধ আছে এই পোস্ট পজিশন তিনি তো আসলে ব্যবহার করছেন না, তিনি করতে পারেন না। ব্যক্তি হিসেবে যেকোনো কেউ যদি ক্রাইটেরিয়া যা আছে সেটা ফুলফিল করতে পারেন, তিনি যদি মনে করেন নির্বাচন করবেন তিনি নির্বাচন করতে পারেন। সরকারের দিক থেকে বাধা দেওয়ার কোনো কারণ নেই এই ব্যাপারে।’

আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকার আওয়ামী লীগকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেবে কি না জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘কোনো রকম কোনো সমস্যা নেই। মানে একজন ব্যক্তি যদি নির্বাচনে পার্টিসিপেট (অংশগ্রহণ) করতে চান, তিনি যদি আওয়ামী লীগের.... কারণ এটা নির্দলীয়, এখানে কেউই দলের কথা বলবেন না। একজন নির্দলীয় ব্যক্তি আসলেন কিন্তু তিনি তার ক্যাম্পেইনে আওয়ামী লীগ বা তাদের যা যা বলার সেগুলো বলেন সেটা প্রবলেম হবে। এর বাইরে নির্দলীয় ব্যক্তি তার যে ক্রাইটেরিয়া (শর্ত) আছে নির্বাচনটা করার জন্য সেটা যদি তিনি ফুলফিল করতে পারেন, তিনি নির্বাচন করতে পারেন। নিশ্চয়ই পারেন।’

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মামলা থাকলে কি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন? এ বিষয়ে তিনি বলেন, আপনাকে এটা জানতে হবে, মামলা থাকলেও তো জাতীয় সংসদ নির্বাচন করা যায়। আমি আবারও বলছি কিন্তু, স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোর যেসব শর্ত দেওয়া আছে, আমি আরেকটু সহজ করে দেই। ধরুন এই পার্লামেন্ট ইলেকশনে আওয়ামী লীগের কোনো এককালের নেতা চাইলেন যে আমি নির্বাচন করবো, তিনি নির্বাচন করতে পারতেন। এমনকি মামলা থাকা বা জেলে থাকার পরও। কারণ সংসদ নির্বাচনের অযোগ্যতার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, আপনি দুই বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত হতে হবে, নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধ। এর আগ পর্যন্ত আপনি তো নির্বাচনে পার্টিসিপেট করতে পারেন। 

তিনি আরও বলেন, সুযোগগুলো তখনও ছিল, এখনও আছে। আমাদের সরকার এই ব্যাপারে কোনো রকম কোনো বাধা তৈরি করতে চাইবে না। সমস্যা যেটা হয়তো হয় এটা আমি ইনফর্মালি বলছি, তাদের অনেকে হয়তো মনে করেন যে তারা জনগণের সামনে আবার যাবেন, কেউ কেউ যদি মনে করেন যেতে পারেন যাবেন। কিন্তু আমাদের অনেকেই জনগণের সামনে ভোট চাওয়ার জন্য যেতে হয়তো প্রস্তুত নন, সেজন্যই হয়তো আমরা এত (আওয়ামী লীগের) মানুষ এখনও দেখছি না।