ডিএনএ টেস্টে নির্দোষ প্রমাণিত সেই ইমামকে নিয়ে পোস্ট ডা. মিতুর
ফেনীর পরশুরাম উপজেলার বক্সমাহমুদ ইউনিয়নের টেটেশ্বর গ্রামে এক কিশোরীকে ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত হয়ে এক মাস দুই দিন কারাভোগের পর অবশেষে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন ইমাম মোজাফফর আহমদ (২৫)। ডিএনএ পরীক্ষায় কিশোরীর সন্তানের সঙ্গে তার কোনো মিল না পাওয়ায় আদালতে তাকে অব্যাহতি দিয়েছে।
এদিকে মঙ্গলবার (১২ মে) মধ্যরাতে সেই ইমামকে নিয়ে ফেসবুকে নিজ ভেরিফায়েড আইডিতে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন এনসিপির সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু।
ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, উনি একজন মসজিদের ইমাম। যাকে সমাজ ধর্ষক হিসেবে চিনেছে। চাকরি চ্যুত হয়েছেন ,এমনকি উনার পিতা যিনি মসজিদের ইমাম ছিলেন ছেলে ধর্ষক বলে চাকরি হারা হতে হয়েছে। ১৪ বছরের কিশোরী ধর্ষণের কারনে গর্ভবতী আর সেই ধর্ষণের দায় দেয়া হয়েছিলো এই ইমামকে। নিজের উপর মিথ্যা দায় সহ্য না করতে পেরে দেয়ালে মাথা ঠুকে ঠুকে নিজের মানসিক অবস্থার ও অবনতি করেছেন।
এক মাস জেলে থাকার পর ,মামলা চলার পর ডি এন এ করে জানা গেলো মেয়েটির আপন ভাই তার গর্ভের সন্তানের পিতা (অস্তাগফিরুল্লাহ ) দুই কক্ষ বিশিষ্ট রুমে থাকার কারনে মেয়েটির বড় ভাই আর মেয়েটা একই রুমে থাকতেন বাবা মা আর একটা রুমে থাকতেন। মেয়ের ভাইয়ের প্ল্যান ছিলো ইমাম সাহেবকে দায় দিয়ে মেয়েটিকে বাচ্চাসহ উনার সাথে বিয়ে দেয়া। কিন্তু এই ইমাম সাহেব নিজের জন্য সর্বোচ্চ লড়াই করেছেন। লোন করে মামলা চালিয়ে মামলা জিতে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন।
আলহামদুলিল্লাহ এন সিপি থেকে Tareq Reza উনার দায়িত্ব নিয়েছেন। সকল লোনের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে উনার লোন পরিশোধের চেষ্টা করা হবে। হয়তো আপনাদের দারস্থ হতে পারে। উনার সাথে কথা বলে মনে হলো উনি মানসিকভাবেও অতটা সুস্থ নেই। না জানি এমন মিথ্যা অভিযোগে কত মানুষকে অহরহ ফাঁসানো হয়। একই সাথে এটাও সত্য বাস্তব ভুক্তভোগীও আছেন, যারা উল্টো ভয়, লজ্জা বা সামাজিক চাপের কারণে কথা বলতে পারেন না।
তবে আলহামদুলিল্লাহ, এই মানুষটি অন্তত নিজের নির্দোষিতা প্রমাণ করতে পেরেছেন। কিন্তু সবাই কি সেই সুযোগ পায়? সবাই কি মামলা চালানোর সামর্থ্য রাখে? সবাই কি সমাজের সামনে আবার মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে?