আসছে ছাত্রদলের নতুন কমিটি, শীর্ষ পদে আসার গুঞ্জন ছবি ভাইরাল হওয়া রাশেদের
রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) শাখা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণাকে ঘিরে ক্যাম্পাসে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। সম্ভাব্য নেতৃত্বে কারা আসছেন তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ছবিকে কেন্দ্র করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন শীর্ষ পদপ্রত্যাশী নেতা রাশেদ খান মিলন। তার বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পূর্বে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে।
অভিযুক্ত রাশেদ খান মিলন শেকৃবির ২০১৬-১৭ সেশনের কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের শিক্ষার্থী। তার গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহে।
সম্প্রতি শেকৃবি কেন্দ্রিক কয়েকটি ফেসবুক পেজ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে রাশেদ খান মিলনের সঙ্গে এক নারীর স্পর্শকাতর একটি ছবি ভাইরাল হয়। একইসঙ্গে ৫ আগস্টের পূর্বে ছাত্রলীগের মিছিলে যোগ দেওয়ার কয়েকটি ছবিও ছড়িয়ে পড়ে।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া নারীর সঙ্গে রাশেদের সম্পর্ক ছিল বলে রাশেদের ঘনিষ্ট হিসেবে পরিচিত একাধিক ব্যক্তি নিশ্চিত করেছেন। তাদের থেকে পাওয়া তথ্য বলছে, ওই নারী বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থী। তার গ্রামের বাড়িও ঝিনাইদহে।
শেকৃবির বিভিন্ন পেজ-এ শেয়ার করা রাশেদের অন্তরঙ্গ ছবির সঙ্গে অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে। এক পোস্টে দাবি করা হয়, বাকৃবির ওই নারীর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল রাশেদের। তারা একসঙ্গে বসবাসও করেছেন। বিয়ের আশ্বাস দিয়ে সম্পর্ক গড়ে তোলার পর বর্তমানে রাশেদ ওই নারীকে এড়িয়ে চলছেন। পাশাপাশি ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগও তোলা হয়েছে রাশেদের বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আরও কিছু পোস্টে মিলনের বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও আনা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পূর্বে বিভিন্ন ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন মিলন। ছাত্রলীগের একাধিক সভা এবং মিছিলে তাকে দেখা গেছে। ছাত্রলীগের মিছিল-মিটিংয়ে যাওয়া ব্যক্তির ছাত্রদলে আসার গুঞ্জনে ক্যাম্পাস জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাশেদ খান মিলন। তিনি দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘এগুলো বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমাকে হেয় করতে আমার প্রতিপক্ষের লোকজন ছবিগুলো ভাইরাল করেছে। এছাড়া ছাত্রলীগে আমার কোনো পদ ছিল না।’
এ বিষয়ে জানতে শেকৃবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবিরকে কল দেওয়া হলে তিনিও ফোন রিসিভ করেননি।