৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬:১৭

‘আমি মুক্তিযোদ্ধা, আপনিও জানেন মাননীয় স্পিকার, কিন্তু আওয়ামী লীগ আমার নাম কেটে দিয়েছে’

বক্তব্য রাখছেন এমপি গাজী নজরুল ইসলাম  © সংগৃহীত

২০০৯ সালে গঠিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে নির্বাচিত জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। একই সঙ্গে তার এই ‘হারানো গৌরব’ ফিরিয়ে পাবেন কিনা সে প্রশ্নও উত্থাপন করেছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে প্রশ্নোত্তর পর্বে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের কাছে এই প্রশ্ন রাখেন গাজী নজরুল।

এক সম্পূরক প্রশ্নে গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা। ২০০৬ সালের পর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর আমার নামটা তারা মুক্তিযোদ্ধাদের খাতা থেকে নামটা কেটে দিয়েছিল। আজ পর্যন্ত আমি এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত আছি। মুক্তিযোদ্ধার গৌরব থেকে আমি বঞ্চিত।

তিনি বলেন, এলাকার সবাই আমাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে জানে, আপনিও জানেন মাননীয় স্পিকার। আমি মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে প্রশ্ন করতে চাই, আমি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি মেজর জলিল সাহেবের নেতৃত্বে নবম সেক্টরে, এই হারানো গৌরব আমি ফিরে পাব কিনা? আমার কাগজপত্র যতদূর সম্ভব গচ্ছিত আছে, আমি দেখাব ইনশাআল্লাহ। আমি আশা করছি, আমার মত আরও যারা নিগৃহীতের শিকার হয়েছেন, আমাদের তালিকাভুক্ত করে নিবেন কিনা?

প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, ওনার যে কাগজপত্র আছে, সে কাগজপত্রগুলো মন্ত্রণালয়ে জমা দিলে মন্ত্রণালয় এ নিয়ে কাজ করবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। অতীতে যারাই বিরোধী দল করতাম, তাদেরই মুক্তিযুদ্ধের সনদ নিয়ে হয়রানি করা হত, সুনামও নষ্ট করা হত। এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে। ওনার কাগজপত্রাদি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় কাজ শুরু করব।