১২ মার্চ ২০২৬, ২০:৫২

ছাত্রজনতা চুপ্পুকেও সরাতে চাইলেও বিএনপি সংবিধানের অজুহাত দিয়েছে: আল আমিন

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন  © টিডিসি

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপি নেতা আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেছেন, চুপ্পুকেও সরাতে চেয়েছে ছাত্রজনতা কিন্তু বিএনপি সাংবিধানিক শূন্যতার অজুহাত দিয়েছে। যেহেতু সরকার নাই, পার্লামেন্ট নাই, স্পিকার নাই সেহেতু রাষ্ট্রপতিও না থাকলে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি হবে এই অজুহাতে বিএনপি চুপ্পুকে সরতে দিতে চায় নাই। আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজ ভেরিয়ায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি। 

তিনি আরও বলেন, বিষয়টা নৈতিকতার। সাংবিধানিকভাবে চুপ্পু রাষ্ট্রপতি কিন্তু সে গণধিকৃত ফ্যাসিস্ট রেজিমের অংশ। হাসিনাও সাংবিধানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী ছিলো কিন্তু ছাত্রজনতা তাকে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য করেছিলো। 

এনসিপির এই নেতা বলেন, আইনীভাবে যতটুকু কাজ না করলেই না, ঠিক ততটুকু কাজের মধ্যে চুপ্পুকে আটকে রেখেছিলো ইন্টেরিম। কিন্তু বিএনপি এসে চুপ্পুকে পাবলিক অনুষ্ঠানে আনছে, বেগম জিয়ার পুরস্কারও তার হাত দিয়ে দেয়াচ্ছে! চুপ্পুকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে বহাল রাখছে। 

আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, অথচ এখন সাংবিধানিক শূন্যতা নাই। এখন নির্বাচিত সংসদ আছে। চাইলেই চুপ্পুকে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন দেয়া যায়। প্রথম অধিবেশনে স্পিকার ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের মতো রাষ্ট্রপতি ইস্যুতেও সমাধান করা যেতো। কিন্তু বিএনপি সম্ভবত কার্যকর সংসদ চায় না। চাইলে চুপ্পুকে সামনে আনতো না। 

এবারের সংসদ এক ঐতিহাসিক সংসদ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে যারা সংসদ সদস্য, সবাই ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনের সৈনিক। এবারের সংসদ ফ্যাসিস্টদের গনতান্ত্রিকভাবে বয়কটের নজির। অথচ এতো সুন্দর পরিবেশ নষ্ট করা হলো একজন ফ্যাসিস্ট রেজিমের রাষ্ট্রপতিকে বক্তব্য প্রদান করতে দিয়ে। চুপ্পুকে আইনী ফাঁক-ফোকরের ছাড় দেয়া, অপসারণ পর্যন্ত রুটিন ওয়ার্ক করানো আর তাকে স্বাভাবিক স্পেস দেয়া এক বিষয় না৷ এ বোধটুকু আমাদের বন্ধুরা হারিয়ে ফেলেছেন। রাজনীতির স্বার্থে ফ্যাসিস্ট জায়গা দিচ্ছেন, কুযুক্তিও দিচ্ছেন। অবৈধ ফ্যাসিস্ট রেজিমের নিয়োগ করা প্রেসিডেন্টকে রেখে দিয়ে, বক্তব্যের সুযোগ দিয়ে শহীদদের আত্মত্যাগের ফসল বর্তমান বৈধ সংসদকে কলংকিত করছেন। শেইম! চুপ্পুর অভিশংসন ও বিচার করতে হবে। চুপ্পু মাস্ট গো..