০৮ মার্চ ২০২৬, ২৩:৫৯

আবারও স্ল্যাটশেমিংয়ের শিকার মাহমুদা মিতু, অভিযোগ বিএনপিপন্থী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে

ডা. মাহমুদা আলম মিতু  © টিডিসি সম্পাদিত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী ডা. মাহমুদা আলম মিতু আবারও স্লাটশেমিংয়ের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনায় তিনি বিএনপিপন্থী চিকিৎসক সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর এক সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। রবিবার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নিজের ফেসবুক পোস্টে এ অভিযোগ করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে ডা. মাহমুদা আলম মিতু বলেন, আজ নারী দিবস। দেশের শিক্ষিত পুরুষদের অনেকেই এই দিবসে অনেক নারীদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছে। আমার এক কলিগ ও আমাকে যেন কি লিখছে। মে বি এটাও এই দিবস সেলিব্রেট করার একটা উপায়। কলিগ বললাম এই জন্য আমাদের সার্জারীর আলি আকবর স্যার ছিলেন খুব কড়া। কিন্তু যেদিন এম বি বি এস পাস করলাম স্যার বললেন আজ থেকে তোমরা আমার কলিগ। সে হিসেবে সব ডাক্তাররাই আমার কলিগই হয়। 

পোস্টে তিনি লেখেন, এই ছেলেটা ডক্টর। নাম নাভিদ আনজুম অভি। আমার লজ্জা লাগছে বলতে যে উনি এম বি বি এস ডক্টর। উনার একটা পরিচয় উনি আইডিতে লিখেছেন সেটা হলো ড্যাব মানে বিএনপি সমর্থিত যে ডক্টর সংগঠন উনি তার গর্বিত সদস্য। গতদিন এক মেয়ে আমাকে নিয়ে খারাপ কমেন্ট করছে। তো আমি উনার নাম্বার জোগাড় করে আস্ক করলাম আপনি আমাকে চিনেন? উনি বললেন, না।আমার সম্পর্কে কিছু জানেন? সে কিছুই জানেনা সে গল্পটা আর ও মজার। 

এনসিপি নেত্রী লেখেন, যাই হোক এই ডক্টর সাহেবকে কেউ একটু প্রশ্ন করবেন? উনি আমাকে এতো গুলো বাজে কমেন্ট কেন করলেন? আমার অপরাধ কি? আর উনার উদ্দেশ্য আমি বলছি আমি কোনোদিন বাংলাদেশ মেডিকেলে পড়িনি। আপনি যে কমেন্ট লিখেছেন ওটা আওয়ামী লীগের বানানো প্রোপাগাণ্ডা ছিল। উনার সুন্দর একটা সংসার আছে, ছেলে আছে বউ আছে। দেখতে ভদ্রলোকের মতো। কিন্তু আমার অপরাধ কি? ভিন্ন রাজনীতি? জামায়াতের প্রচারণা? সেটা কি আমার অপরাধ যে এতো ক্ষোভ রেখে এই রকম গালিগালাজ করতে হবে? 

এ ঘটনায় ড্যাবের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ডা. মাহমুদা মিতু সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ড্যাবের স্যাররা অনেকেই আমাকে ভীষণ স্নেহ করেন। রাজনীতি রাজনীতির জায়গায়।আমি ড্যাবের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং এই ছেলের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। এমন অনেকের মুখোশ উন্মোচন করেছি আবার ক্ষমা ও করেছি। অভিযোগ করলে লাইসেন্স থাকবেনা। এখন মনে হয় দু একজনের লাইসেন্স বাতিল জরুরি হয়েছে। আমরা যখন ডক্টর হিসেবে শপথ নেই কলিগের সাথে আচরণ কেমন হবে সেটা লেখা থাকে। উনি মে বি পড়েন নি।