রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রশ্ন কেন, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষ হয়নি
তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির নতুন সরকার গঠনের ১৫ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় সংসদের স্পিকার পদ। তবে এখনই রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন বা নতুন কাউকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে তাড়াহুড়ো করতে নারাজ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব।
মঙ্গলবার (৪ মার্চ) রাতে বেসরকারি গণমাধ্যম ‘প্রথম আলো’কে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই বিষয়ে দলের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।
সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে কাদের নাম বিবেচনায় রয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘এখনই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আলোচনা কেন? সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান রাষ্ট্রপতির মেয়াদ তো শেষ হয়নি।
আরও পড়ুন: বৃষ্টির পূর্বাভাসসহ ৫দিন আবহাওয়া কেমন থাকবে জানাল অধিদফতর
সাক্ষাৎকারে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি হওয়ার মতো বিএনপিতে তিন-চারজন আছেন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এখনই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আলোচনা কেন? সংবিধান অনুযায়ী, বর্তমান রাষ্ট্রপতির মেয়াদ তো শেষ হয়নি।’
তবে বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের অনেক নেতার মধ্যেই ভিন্নমত রয়েছে। দলের একটি বড় অংশ মনে করে, বিগত শেখ হাসিনা সরকারের আমলে নির্বাচিত এই রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এমনকি বিরোধী দলের পক্ষ থেকেও বর্তমান রাষ্ট্রপতিকে সরানোর জোরালো দাবি উঠেছে।
এদিকে বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানাচ্ছে, রাষ্ট্রপতি পদে দলের জ্যেষ্ঠ নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম বেশ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর আগে এই পদের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামও আলোচনায় এসেছিল। তবে মির্জা ফখরুলের সাম্প্রতিক বক্তব্যে এটি স্পষ্ট যে, বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার এখন সংবিধান ও নিয়মতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করা।