উপজেলার মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও সাধারণ সভায় আওয়ামী লীগের নেতারা
চাঁদপুরের মতলব উত্তরে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পুনর্বাসনের অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচি ও মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও সাধারণ সভায় অংশ নিয়েছেন আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা। তারা সবাই আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদের হলরুমে মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও সাধারণ অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে অংশ নেন সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম মোহনের আস্থাভাজন জুলাই ছাত্রজনতা হত্যার একাধিক মামলার আসামি মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কাজী মিজানুর রহমান, সাবেক এমপি নুরুল আমিন রুহুলের অনুসারী সাদুল্লাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক জোবায়ের আজিম পাঠানসহ বেশ কয়েকজন।
৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা গা ঢাকা দেন। তবে সময় যত গড়াচ্ছে তারা সামনে আসতে শুরু করেছেন। স্থানীয় প্রশাসন তাদের সহায়তা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিগত সময়ে সারাদেশে ডেভিল হান্ট অভিযান চললেও মতলব উত্তরে আওয়ামী লীগের উল্লেখ্য যোগ্য তেমন কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।
মতলব উত্তর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক জিতু বলেন, ‘বিষয়টি আমারও দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রশাসনের মধ্যে এখনো আওয়ামী লীগের দোসর রয়েছে, সরকারকে বেকায়দায় ফেলানোর জন্য তারা ঠিকমতো কাজ করছে না। তারা আওয়ামী দোসরদের নিয়ে বিভিন্ন সরকারি প্রোগ্রাম করছে। আমি এর নিন্দা জানাই। বিএনপিতে আমরা কোনো আওয়ামী দোসরকে সহযোগিতা বা প্রশ্রয় দিইনি এবং দেবও না।’
মতলব উত্তর উপজেলা যুবদলের (ভারপ্রাপ্ত) আহ্বায়ক রাশেদুজ্জামান টিপু বলেন, ‘মতলব উত্তরে বর্তমান উপজেলা প্রশাসন ৫ আগস্টের আগের ধারাতেই চলছে। আওয়ামী মানসিকতা এখনো পোষণ করে এখানকার প্রশাসন।
মতলব সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাবীর হোসনাইন সানীবের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ সভায় আমি উপস্থিত ছিলাম না। খোঁজ খবর নিয়ে জানাবো।’ মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নেতা কাজী মিজানুর রহমান মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও সাধারণ সভার সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ওনার বিরুদ্ধে মামলা থাকলে অথবা ওয়ারেন্ট থাকলে পুলিশ ব্যবস্থা নিবে ‘