২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:৫৩

সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেত্রী নওরিন উর্মি

জান্নাতুল নওরিন উর্মি  © সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠন করার পর এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন। ৫০টি সংরক্ষিত আসনের মধ্যে আনুপাতিক হারে বিএনপি পেতে যাচ্ছে ৩৫টি আসন। এই দৌড়ে সাংগঠনিক দক্ষতা ও রাজপথের সক্রিয়তার কারণে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে জোরালো আলোচনায় উঠে এসেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল নওরিন উর্মি।

নির্বাচন কমিশনের আভাস অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন পবিত্র রমজান মাসেই অনুষ্ঠিত হতে পারে। ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের রাজনৈতিক প্রোফাইল ও বিগত দিনের আন্দোলনের ফিরিস্তি দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে জমা দিতে শুরু করেছেন। এই প্রক্রিয়ায় বরিশাল জেলা থেকে সম্ভাবনাময় নাম হিসেবে সাধারণ নেতা-কর্মীদের মুখে উচ্চারিত হচ্ছে নওরিন উর্মির নাম।

বরিশালের কৃতি সন্তান জান্নাতুল নওরিন উর্মি ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সংগঠনের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে কাজ করছেন।

দলীয় সূত্র ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে বরিশাল-৫ আসনে নির্বাচনী প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন উর্মি। বিশেষ করে নারী ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণে তার মাঠপর্যায়ের কাজ এবং বিএনপির 'দেশ গড়ার পরিকল্পনা' কর্মসূচিতে তার সাংগঠনিক দক্ষতা নীতিনির্ধারকদের নজর কেড়েছে। তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মতে, উর্মির মতো শিক্ষিত ও লড়াকু নেত্রীদের সংসদে পাঠানো হলে তা নারী নেতৃত্ব বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

মনোনয়ন প্রত্যাশার বিষয়ে নওরিন উর্মি বলেন, ‘দেশে প্রায় ৫১ শতাংশ নারী ভোটার থাকায় সংসদে নারীর কার্যকর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা জরুরি। তবে তা হতে হবে মেধাভিত্তিক। শিক্ষাগত যোগ্যতা, তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক যুক্তিনির্ভর বাকপটুতা সম্পন্ন নারীদের এগিয়ে আনা উচিত। যোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্বই আগামীতে দলের আদর্শ ও এজেন্ডা বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।’