১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২০:৩৭

শেরপুরের সেই সংঘর্ষের ঘটনায় এবার জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

গত ২৮ জানুয়ারি ওই সংঘর্ষে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম নিহত হন  © সংগৃহীত ও সম্পাদিত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম নিহত হওয়ার ঘটনায় দলটির সমস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই সংঘর্ষে বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী আহত হওয়ায় গত ১০ ফেব্রুয়ারি উপজেলার শালচুড়া গ্রামের আমজাদ ও ভারুয়া গ্রামের হাসিবুল হাসান শান্ত বাদী হয়ে ঝিনাইগাতী সিআর আমলি আদালতে মামলা দুটি দায়ের করেন। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

গত ২৮ জানুয়ারি শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের ঝিনাইগাতীতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের সঙ্গে এক সংঘর্ষে বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মীরা আহত হন। এতে নিহত হন জামায়াত নেতা রেজাউল করিম। এ ঘটনার জেরে অসুস্থ হয়ে ৪ ফেব্রুয়ারি ইন্তেকাল করেন ওই আসনের জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল। পরে আসনটিতে নির্বাচন স্থগিত করা হয়।

জানা গেছে, মামলা দুটিতে শ্রীবরদী উপজেলার পশ্চিম তাতীহাটি এলাকার মৃত বাচ্চু মিয়ার ছেলে আজহারুল ইসলাম মিস্টারকেকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। দুটি মামলায় মোট ২৪৪ জনকে স্বনামে এবং ৮০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

এর আগে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম হত্যা মামলায় নিহতের স্ত্রী মারজিয়া বেগম বাদী হয়ে সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেলকে প্রধান আসামি করে বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতীর ২৩১ জন নেতাকর্মীকে স্বনামে এবং ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। তবে ইতোমধ্যে বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক এমপি মাহমুদুল হক রুবেলসহ অধিকাংশ নেতাকর্মী উচ্চ আদালত থেকে জামিনপ্রাপ্ত হয়েছেন।

এ বিষয়ে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ১৬ ফেব্রুয়ারি আদালত থেকে জেনে গেছি থানাকে মামলা নথিভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পুলিশ প্রয়োজনের ব্যবস্থা নিচ্ছে।