১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬:৫৬

নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা: এক জেলায় আহত ১৩, ভাঙচুর স্বতন্ত্র প্রার্থীর কার্যালয়ে

হামলার পর নির্বাচনী কার্যালয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ  © ভিডিও থেকে নেওয়া

ঝিনাইদহে নির্বাচন পরবর্তী পৃথক তিনটি সহিংস ঘটনায় কমপক্ষে ১৩ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত ঝিনাইদহ সদর ও কালীগঞ্জ উপজেলায় এসব হামলা, পাল্টা হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

বেলা ১১টার দিকে কালীগঞ্জ শহরের নীমতলা বাসস্ট্যান্ডের বাজার রোডে অবস্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। এ সময় খোকন, ইভন ও জাবেদ আলী নামে তিন বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে আহত করা হয়। আহত জাবেদ আলীকে যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি কালীগঞ্জ পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।

একই সময় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের ভিটশ্বর গ্রামে ধানের শীষের সমর্থকরা কাপ-পিরিচ সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। এতে আকরাম হোসেন, ফজলুর রহমান, ফারুক হোসেন, নজরুল ইসলাম ও জাফর উদ্দীনসহ পাঁচজন আহত হন। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপরদিকে একই ইউনিয়নের খড়াশুনি গ্রামে কাপ-পিরিচের সমর্থক কাওসার বিশ্বাসের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে ধানের শীষের সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

এর আগে সকালে কালীগঞ্জ উপজেলার কোলা বাজারের খালকুলা গ্রামে ধানের শীষ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ধানের শীষের সমর্থক রবিউল শেখ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর (কাপ-পিরিচ) সমর্থক মোশারেফ শেখ ও ইব্রাহিম শেখ আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে ঝিনাইদহের মহেশপুরে দুর্বৃত্তরা প্রেসক্লাব মহেশপুর কার্যালয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। রাত ৯টার দিকে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের পাশেই অবস্থিত কার্যালয়ে এ হামলা হয়।

কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন। জড়িতদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।